🧧🚨 রাজ্যজুড়ে জগদ্ধাত্রী পূজা অনুষ্ঠিত

যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তিরূপেণ সংস্থিতা
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমোহঃ”।।
ওঁ আধারভূতে চাধেয়ে ধৃতিরূপে ধুরন্ধরে। ধ্রূবে ধ্রূবপদে ধীরে জগদ্ধাত্রি নমোঽস্তু তে॥
জগদ্ধাত্রী অর্থাৎ যে জগতকে ধারণ করে আছে তিনিই জগদ্ধাত্রী।অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা নবমী তিথিতে দেবী জগদ্ধাত্রীর বাৎসরিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়। জগদ্ধাত্রী দুর্গা হলেন হিন্দু শক্তির দেবী। ইনি দেবী দুর্গার অপর রূপ। উপনিষদে তার নাম উমা হৈমবতী।
দুর্গা কর্তৃক মহিষাসুর বধের পর দেবতারা উল্লাসে মেতে উঠে। তাঁরা ভেবেছিলেন, দুর্গা যেহেতু তাঁদেরই সম্মিলিত শক্তির প্রকাশ, তাই অসুর বধ হয়েছে তাঁদেরই যুগ্ম শক্তিতে। ব্রহ্মার বরের সম্মান রক্ষা করতে কেবল ওই নারী দেহটির আবশ্যিকতা। তাঁদের ওই গর্ব দেখে পরমেশ্বরী দেবী একটি তৃণখণ্ড অলক্ষ থেকে নিক্ষেপ করলেন দেবতাদের দিকে। পরীক্ষা করতে চাইলেন তাঁদের শক্তি। ইন্দ্র বজ্রদ্বারা সেই তৃণটি ধ্বংস করতে ব্যর্থ হলেন। অগ্নি সেই তৃণ দহন করতে পারলেন না, বায়ু অসমর্থ হলেন তা উড়িয়ে নিয়ে যেতে। বরুণের শক্তি সেই তৃণটুকুর একটি অংশও জলস্রোতে প্লাবিত করতে পারল না। দেবতাদের এই দুরবস্থা দেখে তাঁদের সামনে আবির্ভূতা হল এক পরমাসুন্দরী সালঙ্কারা চতুর্ভুজা
মূর্তি। তিনিই জগদ্ধাত্রী। জগদ্ধাত্রী এভাবে আবির্ভূতা হয়ে দেবতাদের জ্ঞানচক্ষুটি উন্মীলিত করলেন। বুঝিয়ে দিলেন, তিনিই এই জগতের ধারিণী শক্তি। আজ মহানবমী। রাজ্যেও ঘটা করে বিভিন্ন জায়গায় পালিত হচ্ছে জগদ্ধাত্রী পূজা। আগরতলা শহরের আনন্দময়ী কালীবাড়িতে হচ্ছে জগদ্ধাত্রী পূজা। একই দিনে মাকে করা হবে তিনবার পূজা। সপ্তমীর অষ্টমী নবমী। পূজা কে কেন্দ্র করে আনন্দময়ী কালীবাড়িতে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *