আগে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সকল সুযোগ-সুবিধা ছিলনা তা করার চেষ্টা করছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। দু একটা স্কুলের নয় প্রত্যেকটা স্কুলের ভালো ফলাফলের উদ্দেশ্যে কাজ করে চলছে সরকার। ২ থেকে ৭ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের মৌলিক ভিত্তি এবং দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিপুণ ত্রিপুরা প্রকল্পের মাধ্যমে টি এল এম ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
নিপুন ত্রিপুরা মিশনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে রাজ্যন্তরীয় শিক্ষণ-শিখন সহায়ক উপকরণ অর্থাৎ টিচিং লারনিং মেটেরিয়েল (টি এল এম) প্রদর্শনী তথা প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করে এ কথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা।
উক্ত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মাণিক সাহা ছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা দপ্তরের বিশেষ সচিব রেবেল হেমেন্দ্র কুমার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এস সি ই আর টি, ত্রিপুরার অধিকর্তা এল ডারলং। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা এন সি শর্মা।
আজকের এই প্রদর্শনীতে রাজ্যের আটটি জেলা থেকে আগত ১৬০টির অধিক, স্বল্প খরচে, হাতে তৈরি টি এল এম প্রদর্শিত হয়। রাজ্যের নিপুন মিশনের অধীন প্রায় প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রথমে মহকুমা স্তরে প্রদর্শনী তথা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন এবং সেখান থেকে নির্বাচিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাদের টি এল এম নিয়ে পরবর্তীতে জেলাস্তরে আয়োজিত টি এল এম প্রদর্শনী তথা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। এই জেলাস্তরে সেরা হিসাবে নির্বাচিত ২০টি করে টি এল এম-ই রাজ্যস্তরের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।
বিগত ২০২৩ সালে প্রথমবারের মত আয়োজিত টি এল এম প্রদর্শনী তথা প্রতিযোগিতায় সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০০ শিক্ষক-শিক্ষিকা অংশগ্রহণ করেন। এবছর দ্বিতীয়বারের মত আয়োজিত টি এল এম প্রদর্শনী তথা প্রতিযোগিতায় সব মিলিয়ে ৭০০০-এর ও অধিক শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন।
রাজ্যন্তরীয় প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকদের নিরিখে ১০-টি টি এল এম সেরা হিসাবে নির্বাচিত হবে। এর মধ্যে ৫টি হবে ভাষাগত এবং বাকি ৫টি হবে গাণিতিক বিষয়ে তৈরি টি এল এম।
এই নির্বাচিত সেরা ১০-টি টি এল এম প্রদর্শনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা পুরস্কার তুলে দেন।
