আজ সারা রাজ্যে ঘটা করে পালিত হচ্ছে গড়িয়া পূজা। চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়ে সাত দিনব্যাপী এই উৎসব পালিত হয়। অর্থাৎ বৈশাখ মাসের সপ্তমী তিথিতেই অনুষ্ঠিত হয় মূল পূজা।আজ সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি আগরতলা শহরের নানা এলাকায় গড়িয়া পূজার আয়োজন করা হয়। আগরতলার উজান অভয়নগর এলাকার নেতাজি ক্লাব, নাজির বাড়ি পূজা কমিটি, কসমোপলিটন ক্লাব, প্রগতি প্রে সেন্টার, কেবিসি সহ বিভিন্ন স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয় এই পূজা।গড়িয়া পূজা ত্রিপুরার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব। বৈশাখ মাসের সপ্তমী তিথিতে গৃহস্থের দেবতা হিসেবে পরিচিত ভগবান গড়িয়া-র আরাধনায় এই উৎসব পালন করা হয়। কৃষি, পশুপালন ও সমৃদ্ধির দেবতা হিসেবে তাঁকে মান্য করা হয়।উৎসবের অংশ হিসেবে একটি বাঁশের খুঁটিকে দেবতার প্রতীক হিসেবে স্থাপন করা হয় এবং ফুল-মালা দিয়ে পূজা করা হয়। চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়ে সাত দিন ধরে বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পূজা চলতে থাকে এবং বৈশাখ মাসের সপ্তম দিনে এর সমাপ্তি ঘটে।উৎসবের আচার অনুযায়ী দেবতাকে সন্তুষ্ট করতে পাখি ও ডিম বলি দেওয়ার প্রথাও রয়েছে। মুরগির ছানা ছাড়াও পূজার উপকরণের মধ্যে থাকে মাটির হাঁড়ি, সুতির সুতো, চাল, রিশা, ডিম এবং স্থানীয় মদ। উর্বরতা ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে পাখি ও ডিম বলির প্রচলন রয়েছে এই উৎসবে। এ গড়িয়া পূজাতে ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় জাতি উপজাতির ভেতর বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।
