রাজ্যে শ্রমজীবী অংশের মানুষের পরিস্থিতি খুবই করুণ! রাজ্যে পিছিয়ে গেছে শ্রমজীবী অংশের মানুষ বিভিন্ন দিক থেকে। কাজ নেই খাদ্য নেই রেগার কাজ প্রায় বন্ধের পথে, শ্রমিকরা ন্যায্য পাওনা থেকেও বঞ্চিত’। শুক্রবার সি আই টি ইউ” র রাজ্য কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এ সমস্ত নানান বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন সি আই টি ইউ” র রাজ্য সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরো বলেন বর্তমানে আগরতলা থেকে যে এক্সপ্রেস দিচ্ছে সেগুলির অবস্থা খুবই খারাপ। উন্নয়ন হয়েছে তিনি স্বীকার করেছে, কিন্তু ঠিকঠাক ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। শংকর বাবু বলেন রেলগুলির ভেতরের টয়লেট পানীয় জল এবং সিটের আশপাশ জায়গা গুলি খুবই নোংরা অবস্থায় থাকে প্রতিনিয়ত। শুধু তাই নয় স্টেশন গুলিরওয়েটিং রুমেও একই চিত্র লক্ষ্য করেছে বলে জানান তিনি। ২৫ বছর বামফ্রন্ট ক্ষমতায় যখন ছিল তখন শ্রমজীবী অংশের মানুষের স্বার্থে কাজ করা হয়েছে। বর্তমান সম দপ্তর রাজ্যের শ্রমজীবী অংশের মানুষের সুযোগ সুবিধার আওতায় নিয়ে আসছেন না বরং তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেন সি, আই, টি” ট্রেন গুলি গভীর রাজ্যে পাড়ির রাজ্য সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত। পাশাপাশি সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয় এর সমস্ত সমস্যাগুলি দ্রুত নিঃসরণ করার জন্য আগামী ৩০ অগাস্ট ১৬
দফা দাবি নিয়ে গণ ডেপুটেশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে যাবেন সি আই টি ইউ। উক্ত দিন সিআইটিও রাজ্য কার্যালয় থেকে একটি মিছিল করে শহরের বিভিন্ন পদ পরিক্রমা করে তারা মুখ্যমন্ত্রীর সৌজন্যমূলক দেখা করবেন বলে জানান তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে নারী নেত্রী পাঞ্চালী ভট্টাচার্যও বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার, আশা কর্মী, সাফাই কর্মী রাজ্যের জন্য যেভাবে নিজ স্বার্থ ভুলে গিয়ে পরের স্বার্থে কাজ করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। কিন্তু রাজ্য সরকার তাদের উপযুক্ত ব্যবস্থা বা তাদের স্বার্থে কথা বলছেন না বলে অভিযোগ করেন নারী নেত্রী পাঞ্চালী ভট্টাচার্য। দেখার আগামী ৩০ অগাস্ট সি আই টি ইউর গণ ডেপুটেশনে মুখ্যমন্ত্রী কতটা সাড়া দেন ।
