আগরতলা, ২৮ মার্চ: নির্বাচনকালীন সময়ে ভর্তুকির টাকা বিতরণকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে স্মারকলিপি দাখিল করল ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি । শনিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, ত্রিপুরায় খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশনের রাজ্য কার্যালয় পিএমইজিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, যা এমএসএমই মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত একটি ঋণ-সংযুক্ত ভর্তুকি প্রকল্প। এই প্রকল্পে সাধারণত ২৫ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয়। উৎপাদন ইউনিটের জন্য সর্বোচ্চ প্রকল্প ব্যয় ৫০ লক্ষ টাকা এবং ব্যবসায়িক ইউনিটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এডিসি নির্বাচন এবং ৫৬-ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনের ঘোষণার পর কেভিআইসি-র রাজ্য কার্যালয়, ডিআইসি কার্যালয় এবং খাদি বোর্ডের মাধ্যমে এডিসি এলাকা ও ধর্মনগর মহকুমার বিভিন্ন সুবিধাভোগীদের বিপুল সংখ্যক পিএমইজিপি ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি কেভিআইসি-র কেন্দ্রীয় কার্যালয়, মুম্বাই থেকে সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকা পাঠানো হচ্ছে। প্রত্যেক সুবিধাভোগীর জন্য এই ভর্তুকির পরিমাণ সাধারণত ২.৫ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে।
টিপিসিসি-র অভিযোগ, নির্বাচনকালীন সময়ে এইভাবে সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করা সুশাসনের লক্ষণ নয় এবং এটি নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
এই পরিস্থিতিতে টিপিসিসি নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে, কেভিআইসি-র কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এডিসি এলাকার গ্রাম এবং ধর্মনগর মহকুমার সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকা স্থানান্তর অবিলম্বে বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
