প্রতি ঘরে সুশাসন অভিযানে জম্পুইহিল ব্লকভিত্তিক সুশাসন শিবির প্যারাগ্লাইডিং স্পট-জম্পুই দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে : মুখ্যমন্ত্রী

উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে। সুশাসন মানে কি তা আপনারা সবাই অবগত আছেন। আমরা লক্ষ্য করেছি বিভিন্ন কারণে এখনও কিছু মানুষ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প ও পরিষেবার সুযোগ সুবিধাগুলি সম্পর্কে সঠিকভাবে ওয়াকিবহাল নিন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প ও পরিষেবার সুযোগ সুবিধা সরকার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। এই লক্ষ্যেই রাজ্যে গ্রাম পঞ্চায়েত, ভিলেজ কমিটি স্তরে প্রতি ঘরে সুশাসন অভিযানে মেলা, শিবির অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ জম্পুইহিলের বেলিয়ান চিপে জম্পুই দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের নবনির্মিত দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জম্পুই দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানেই জম্পুই রকভিত্তিক প্রতি ঘরে সুশাসন মেলা ও শিবিরের উদ্বোধন করেন। তাছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী ভাংমুনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্যারাগ্লাইডিং টেক অফ ও ল্যান্ডিং পয়েন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা বলেন, জম্পুইহিলে আসতে পেরে আমি খুশি। আপনারা আমাকে যেভাবে স্বাগত জানিয়েছেন তা আমার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ও নিজের পক্ষ থেকে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে। রাজ্যের বেশিরভাগ অংশের মানুষের কাছে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পৌঁছালেও কিছু মানুষের কাছে বিভিন্ন কারণে এগুলি এখনও পৌঁছানো যায়নি। শুধু জেলা, মহকুমা বা ব্লক স্তরে নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ভিলেজ স্তরে এসব সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। এজন্যই এই উদ্যোগ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে আমরা দেশের স্বাধীনতা লাভের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করেছি। খুবই খুশির বিষয় হলো জম্পুই দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়টিও এবার ৭৫ বছরে পদার্পণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার ছাত্রছাত্রীদের গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে। তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাগ দর্শনে রাজ্য সরকার উন্নয়নের কাজ করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জম্পুইহিলে আজ প্যারাগ্লাইডিংয়ের সূচনা হলো। এটা অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের একটি আকর্ষণীয় দিক। আগামীদিনে শুধু রাজ্য নয় বহিরাজ্যের পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয় হয় উঠবে এই প্যারাগ্লাইডিং কেন্দ্রটি।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, রাজ্য সরকার রাজ্যবাসীর সার্বিক কল্যাণে কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন জম্পুইহিলে প্যারাগ্লাইডিং চালু হওয়ায় এই পাহাড় পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। টিআইডিসির চেয়ারম্যান টিংকু রায়, উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক নাগেশ কুমার বি, জেলা পুলিশ সুপার কিরণ কুমার কে সহ পদস্থ আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জম্পুইহিল ব্লক উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান বিয়াকচুঙ্গনাঙ্গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *