আয়ুর্বেদ চিকিৎসা দেশের প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্রের এক অন্যতম ক্ষেত্র। আমাদের দেশের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতি এখনও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। এই চিকিৎসা পরিষেবাকে সমাজের প্রান্তিক ব্যক্তি পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে। মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। চিকিৎসা পদ্ধতিতে আয়ুর্বেদের মৌলিক নীতিগুলি প্রচারে আনতে হবে। তাহলেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পরিষেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে। আজ রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে সপ্তম জাতীয় আয়ুর্বেদ দিবসের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। তিনি বলেন, একটা সময় ছিল যখন সমগ্র পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা করতে ভারতে আসত। শিক্ষা ক্ষেত্র থেকে শুরু করে চিকিৎসাশাস্ত্র প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ভারত ছিল এগিয়ে।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার আয়ুর্বেদকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর আয়ুশ মন্ত্রক গঠিত হয়। পরবর্তীকালে চিকিৎসার মূল ধারার সঙ্গে আয়ুশকে যুক্ত করার লক্ষ্যে ন্যাশনাল আয়ুশ মিশন গঠন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের আবহাওয়া ঔষধি গাছ চাষের অনুকুল। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যে আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পরিষেবা সম্প্রসারণ করার সুযোগ রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামীতে রাজ্যে একটি আয়ুর্বেদিক কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুখ্যসচিব জে কে সিনহা, উত্তরাখন্ড আয়ুর্বেদ ইউনিভারসিটির উপাচার্য ডা. সুনীল কুমার যোশী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত সচিব (স্বাস্থা) ও মিশন অধিকর্তা শুভাশিস দাস। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন ডা. শৈবাল চন্দ্র পন্ডিত। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. শুভাশিস দেববর্মা, পরিবার কল্যাণ ও রোগ প্রতিরোধক অধিকারের অধিকর্তা ডা. রাধা দেববর্মা, মেডিক্যাল এডুকেশনের অধিকর্তা প্রফেসর (ডা.) হর প্রসাদ শর্মা প্রমুখ।
