নয় বছরের নাবালিকাকে শ্লীলতা হানির দায়ে রাকেশ পাল (৩২) নামে এক বিবাহিত যুবককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বিলোনিয়া জেলা ও দায়রা বিচারক আশুতোষ পান্ডে। ঘটনার খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে যথোপযুক্ত বিচার হওয়ায় স্বস্তি সব মহলে। রাজ্যের বর্তমান সরকারের সুশাসনের কারণে অতি দ্রুত এই মামলার নিষ্পত্তি হয় আজ বিলোনিয়া জেলা আদালতে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় এই জুলাই মাসের ২ তারিখে দিনের বেলায় নয় বছরের নাবালিকা কন্যা পার্শ্ববর্তী রাকেশ পালের বাড়িতে দুধ আনতে যায়। এই সুযোগে রাকেশ পাল নাবালিকাকে একা পেয়ে তার শ্লীলতাহানি করে। এই ঘটনা নাবালিকা বাড়িতে গিয়ে তার মাকে জানালে সঙ্গে সঙ্গে নাবালিকার মা বিলোনিয়া মহিলা থানায় রাকেশ পালের বিরুদ্ধে মামলা করে। বিলোনিয়া মহিলা থানা মামলা হাতে পেয়ে সাথে সাথে রাকেশ পালকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। ঘটনার কুড়ি দিনের মাথায় মহিলা থানার তদন্তকারী অফিসার ইন্সপেক্টর স্বপ্না ভৌমিক ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ (বি), ৫০৯ এবং পক্সো আইনে তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট প্রেরণ করে। আদালত চার্জশিট পেয়ে এরই মধ্যে দশজনের সাক্ষ্য বাক্য গ্রহণ করে। সাক্ষীর সাক্ষ্যবাক্য শেষে রাকেশ পাল কে দোষী সাব্যস্ত করে আজ সাজা ঘোষণা করে বিলোনিয়া জেলা ও দায়রা বিচারক আশুতোষ পান্ডে। এই মামলায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ (বি) ধারায় রাকেশ পালকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ১৫০০০ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের হাজত বাসের নির্দেশ দেয় বিচারক। এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার ছিলেন বিলোনিয়া মহিলা থানার ইন্সপেক্টর স্বপ্না ভৌমিক এবং সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি প্রভাত চন্দ্র দত্ত।
