আগে কোন সরকার কিচ্ছু দেয়নি, যা কিছু দিয়েছে সব এই সরকার । আমি সব সময় এই সরকারের জিন্দাবাদ করে যাব। শনিবার দক্ষিণ ত্রিপুরার ঋষ্যমুখ আর ডি ব্লকের অধীনে উত্তর সারাসীমা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) প্রকল্পে সুবিধাভোগী শ্রীমতি অর্চনা সাহা তাঁর নিজ বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহাকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে এই কথা বলেন। ৬২ বছর বয়সী বিধবা মহিলা অর্চনা দেবী মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে জলের সুবিধা, পাকা শৌচালয়, গ্যাসের সিলিন্ডার, বিনামূল্যে চাল, ২০০০ টাকা ভাতা, তৎসঙ্গে সরকারী পাকা ঘর পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে । এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দুহাত তুলে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা ভারতচন্দ্র নগর আর ডি ব্লকের নবনির্মিত পাকা বাড়ির দারোদঘাটন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এই অনুষ্ঠান শেষে তিনি ‘প্রতি ঘরে সুশাসন’ অভিযান কর্মসূচিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন এমন লাভার্থী পরিবারের বাড়িতে গিয়ে স্বচক্ষে পরিদর্শন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তখন তিনি দক্ষিন ত্রিপুরা জেলাশাসক সাজু ওয়াহিদ, পুলিশ সুপার ডঃ কুলবন্ত সিং, স্থানীয় বিধায়ক অরুণচন্দ্র ভৌমিক এবং সমাজসেবী অশেষ রায় সহ অন্যান্যদের সঙ্গে নিয়ে সোজা চলে যান উত্তর সারাসীমা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বয়স্ক বিধবা মহিলা শ্রীমতি অর্চনা সাহার বাড়িতে। বিগত সরকারের সময়ে জরাজীর্ণ মাটির ঘরেতে থাকা অসহায় বিধবা মহিলা অর্চনা দেবীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং আসছেন, এই খবর এলাকায় পৌঁছতেই সাধারণ মানুষ ভিড় জমান । মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন অর্চনা দেবী। দুহাত তুলে বিগত সরকারের সময়ে কিছু না পাওয়ার দুঃখ তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে । পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহাকে দুহাত তুলে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে তিনি সব পেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীন) প্রকল্পে শ্রীমতি অর্চনা সাহার নবনির্মিত ঘর পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খুব সুন্দর হয়েছে ঘর, ভালো লাগছে।’ এ কথা শুনে অর্চনা দেবী মুখ্যমন্ত্রীকে আপ্যায়ন করে তাঁর নবনির্মিত ঘরে একটু বসতে বলেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আথিতেয়তা গ্রহণকরে পরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদায় নেন। অর্চনা দেবীর বাড়িতে ভিড় করে থাকা এলাকাবাসী এই সুন্দর মুহূর্তটিকে যে যার মত করে মুঠো ফোনে ধরে রাখতে থাকেন। যা ছিল এদিন চোখে পড়ার মত।
