সন্ত্রাসের আরেক নাম কমিউনিস্ট পার্টি, উশৃংখলতার আরেক নাম কংগ্রেস : মুখ্যমন্ত্রী

সন্ত্রাসের আরেক নাম মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টি, আর উশৃংখলতার আরেক নাম কংগ্রেস পার্টি। আজ ১৮ সূর্যমনিনগর বিধানসভা এলাকার অশ্বিনী মার্কেটে ‘ঘরে ঘরে বিজেপি’ অভিযান কর্মসূচি উপলক্ষে মহিলা মোর্চার উদ্যোগে ‘সুশাসন জনসভায়’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। তিনি বলেন রাজ্যের বর্তমান সরকার সাবকা সাথ সবকা বিকাশ সাবকা বিশ্বাসের নীতি-আদর্শ নিয়ে কাজ করছে । এই সরকার লটারি কেলেঙ্কারি, চিটফান্ড কেলেঙ্কারির সরকার নয় । এই সরকার জনগণের সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করছে। তাই ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন এই সরকারের কাজে মানুষ আস্থা রেখে, রাজ্যের সর্বত্র দলে দলে ভারতীয় জনতা পার্টিতে শামিল হচ্ছেন। রাজ্যের যেখানেই জনসভা সংঘটিত হচ্ছে সেখানেই বিশাল অংশের মহিলাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে বিজেপি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দল ‘বুথ চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছিল । তাতে ব্যাপক সাফল্য এসেছে।  এখন সপ্তাহব্যাপী ‘ঘরে ঘরে বিজেপি’ অভিযানেও ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন । তিনি বলেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা, স্বচ্ছতার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে কিভাবে পৌঁছে দেয়া হয়েছে, তা সকলকে স্মরণ করিয়ে দেবার জন্যই এই কর্মসূচি।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে উত্থাপিত কিছু বিষয়ে তুলে ধরেন। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর যোগ্য নেতৃত্বে দেশ বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই জি-২০ ভুক্ত দেশগুলোর নেতৃত্ব দেবার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর।  প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতকে কতটা ভালোবাসেন তা আজকের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের মধ্যেও ফুটে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি নাগাল্যান্ডের কৃষ্টি সংস্কৃতির কথা প্রধানমন্ত্রীর মুখে উচ্চারিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সাথে প্রযুক্তিগত দিক দিয়েও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ অনেকটা এগিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।  এই প্রসঙ্গে তিনি দেশীয় প্রযুক্তিতে রকেট তৈরি হওয়ার কথা তুলে ধরেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১৮ সূর্যমনিনগর বিধানসভা এলাকায় যখনই কোন দলীয় কর্মসূচিতে তিনি অংশ নিয়েছেন, তখনই বিশাল অংশের সাধারণ মানুষের উপস্থিতি তিনি লক্ষ্য করেছেন । এদিনের সভাতেও অগণিত মানুষের উপস্থিতি দেখে মুখ্যমন্ত্রী তাকে আস্তাবল ময়দানের জনসভার সাথে তুলনা করেন।
এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা, দলের রাজ্য প্রভারী ডঃ মহেশ শর্মা, মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল,  সদর আরবান সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য, সূর্যমনিনগর প্রভারী শ্যামল দেবনাথ, মন্ডল সভাপতি মন্টু দেবনাথ সহ অন্যান্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *