টেট পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরি প্রাপকদের সম্বর্ধনা দেবে ত্রিপুরার টেট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন

সোমবার ত্রিপুরা টেট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’- প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে।
সাংবাদিক সম্মেলনের তারা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অজয় পাল বলেন,
মেধাবিকাশের প্রশ্নে ত্রিপুরা রাজ্যে ২০১৫ সালে প্রথম টেট পরীক্ষা চালু হয়, সেই থেকে প্রত্যেক বছরই এই যোগ্যতা অর্জনের পরীক্ষা হচ্ছে এবং সরকার অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে নিয়োগ দিচ্ছে।
২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে ‘ত্রিপুরা টেট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ নামে তাদের এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। তারপর ২০১৮ সালে যেই সকল শিক্ষক-শিক্ষিকারা চাকুরিতে যোগদান করেছিল তাদেরকে সেই বছরেরই ডিসেম্বর মাসে নবীনবরণ দেওয়া হয়েছিল। ২০২০ সালে করোনা মহামারি দেখা দিলে এই ধরনের অনুষ্ঠান কিছুদিনের জন্য স্থগিত রাখে সংগঠন। এইবছর সরকার প্রথম এত বিশাল সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে একসঙ্গে নিয়োগ দিয়েছেন, তাই সংগঠন ২০২০, ২০২১, ২০২২ সাল পর্যন্ত যেসকল শিক্ষা গুরুরা চাকুরিতে যোগদান করে তাদের সকলকে আগামী ১১ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং তারিখে মুক্তধারা অডিটোরিয়ামে একসঙ্গে অভিনন্দন ও নবীনবরণ  করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সংগঠন আরও আশা করছে বাকি যোগ্য শিক্ষকদের সরকার দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদান করবে।
ভারতবর্ষের অন্য কোনো সংগঠন এই ধরনের সংবর্ধনা বা অভিনন্দন সভা করেছে কিনা তার নজির নেই। এমনকি ত্রিপুরা রাজ্যেও এই সংগঠন ছাড়া অন্য কোনো সংগঠন এই ধরনের কোনো নবীনবরণ অনুষ্ঠান করেনি।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী  রতন লাল নাথ , তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী  সুশান্ত চৌধুরী  এবং আগরতলা পুর নিগমের মেয়র  দীপক মজুমদার এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিগণ।
প্রথমদিন থেকে রেগুলারের দাবি সংগঠনের ছিল এবং আগামীদিনেও থাকবে বলে সংগঠন জানিয়েছে। এ দাবি ছাড়াও অন্যান্য আনুষঙ্গিক দাবিগুলো রয়েছে তা সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে উক্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
প্রসঙ্গত, এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশই হয়েছিল স্থির বেতনের নিয়োগ পদ্ধতির বিলোপ সাধনে। সংগঠন আত্মবিশ্বাসী বামফ্রন্ট সরকার কর্তৃক স্থির বেতন প্রথার বিলোপ সাধনে বর্তমান সরকার সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করবে এবং অচিরেই এই পাঁচ বছরের স্থির বেতন প্রথার নিয়োগের বিলোপ ঘটবে।
আজকের এই সংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য কমিটির সম্মানিত সম্পাদক অজয় পাল, সভাপতি শ্রীরাজেশ দত্ত এবং অন্যান্য পদাধিকারীগণ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *