গুজরাটে বিজেপির জয় কে গুরুত্ব দিতে নারাজ মানিক সরকার। গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন পাশাপাশি দিল্লির পুর নিগম নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিলেন বিরোধীদল নেতা মানিক সরকার। উনি আজ গুজরাট এবং হিমাচল প্রদেশের নির্বাচন নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, গুজরাটে বিজেপিকে সুযোগ করে দিতে নির্বাচন কমিশন হিমাচল প্রদেশ ও গুজরাটে নির্বাচনের দিনক্ষণ একদিনে ঘোষণা করেননি। কারণ গুজরাটে মোদি যাবেন এবং কিছু কিছু নতুন নতুন প্রকল্পের ঘোষণা দিবেন নির্বাচন ঘোষিত হলে যা তিনি পারবেন না তাই একদিনে নির্বাচন ঘোষণা করা হয়নি। ভারতবর্ষকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা নিয়ে যে রাজনৈতি করছেন বিজেপি । গুজরাটে ও বিভাজনের রাজনীতি করেন বিজেপি যার ফলে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মনটা অন্যত্র ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম হয় তারা। পাশাপাশি বিরোধী ভোট বিভাজনেও বিজেপি সুবিধা পায় বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন গুজরাট নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদি ৩০ এর বেশি জনসভা করেছেন পাশাপাশি নির্বাচনের দিন উনি রোড শু করে ভোট দিতে গিয়েছেন যা নির্বাচনের কোড অফ কন্ডাক্ট এর পরিপন্থী। হিমাচল প্রদেশের ফলাফল নিয়ে বলেন, হিমাচলেও প্রধানমন্ত্রী তার চেষ্টার কসুর করেননি নতুন নতুন বিভিন্ন প্রজেক্ট এর ঘোষণা করেছেন। নিজে সেখানে পড়ে থেকেছেন পাশাপাশি নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু হিমাচল প্রদেশে পরাস্ত হয়েছেন খুব ভালোভাবেই পরাস্ত হয়েছেন। বর্তমান ভারতবর্ষের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ছাপ পড়েছে এই নির্বাচনে। দিল্লি পুর নিগমের ভোটকে আপ প্রেস্টিজিয়াস ফাইট হিসেবে নিয়েছিলেন। যার ফলে ১৫ বছর পর্যন্ত ক্ষমতা দখলকারী বিজেপিকে পরাস্ত করে তারা। বিজেপি যে অপরাজেও না তা এই নির্বাচনে প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিজেপিকে কোনঠাসা এবং পরাস্ত করতে হলে বিজেপি বিরোধী গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিগুলোকে একত্রিত হয়ে লড়াই করতে হবে। রাজ্যের ব্যাপারে বলতে গিয়ে উনি বলেন আঠারো নির্বাচন পর থেকে বিজেপি সিপিআইএম কর্মীদের উপর আদাফ্যাসিস্ট আক্রমণ করে চলেছে। ৩০ জনের উপর দলীয় কর্মী খুন হয়েছে কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বলছেন কোন রাজনৈতিক সন্ত্রাস রাজ্যে ঘটেনি।
