চারটি বিষয় নিয়ে আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জীতেন চৌধুরী। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজেন্দ্র রিয়াং, রাধা চরণ দেববর্মা ও রতন ভৌমিক। জিতেন বাবু গুরুত্বপূর্ণ যে অভিযোগগুলি সম্পর্কে বলেন, ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী যেকোনো রাজ্যে যেতে পারে এবং রাজ্যবাসী বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে পারেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচি ও ঘোষণা করতে পারেন। কিন্তু যে সময়ে তিনি এখন রাজ্যে আসছেন নির্বাচনের প্রাক্কালে তাও আবার সরকারি অনুষ্ঠানের নামে। এক ঢিলে দু পাখি শিকারের মত সরকারি কাজও পাশাপাশি নির্বাচনে প্রচারও এমনটাই অভিযোগ জিতেন বাবুর। সরকারিভাবে এদিনের অনুষ্ঠানে ৫০ হাজার লোক আনার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সারা রাজ্য মিলিয়ে। পাশাপাশি আবার বিজেপি পার্টি অফিস থেকে ও সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য ৫০ হাজার লোক আনার ফতুয়া জারি করেছে। ফলে সরকার ও পার্টি একাকার হয়ে যাচ্ছে একদলীয় শাসন কায়েম করার প্রয়াস, নৈতিকতা থাকছে না। পাশাপাশি তিনি বলেন রেগার শ্রমিকদের দিয়ে ঘরে ঘরে সুশাসন বিজেপিরbপ্রচারপত্র বিলি করা হচ্ছে। নগ্নভাবে এই কাজ করছে বিজেপি। এইসব ব্যাপার নিয়ে জাতীয় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে সিপিআইএম। জোটের প্রশ্নে উনি বলেন বিরোধী দলগুলিকে একত্রিত হতে হবে বিজেপিকে পরাস্ত করতে হলে । আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সহ একাধিক ইস্যুতে সকল বিরোধী দলগুলি ঐক্যবদ্ধভাবে একটি কর্মসূচি আয়োজন করার ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে তিনি জানান। ইতিপূর্বে আগরতলা প্রেসক্লাবে একটি অনুষ্ঠানেও বিরোধী দলগুলো এক মঞ্চে একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল। ফলে আবারও যদি এরকম কোন মিছিল বা কর্মসূচি সংঘটিত হয় তা যে বিরোধীদলের ঐক্যকে সুদৃঢ় করবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই কর্মসূচির সাফল্যই বিরোধী জোটের বার্তা আরো মজবুত করবে এমনটাই রাজনৈতিক মহলের অভিমত।
