সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে ও তাদের শিক্ষার আলোতে নিয়ে আসার জন্য ড. বি আর আম্বেদকর সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ড. বি আর আম্বেদকরের দেখানো দিশাতেই বর্তমান সরকার পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে। আজ আগরতলা টাউনহলে ড. বি আর আম্বেদকর মেরিট অ্যাওয়ার্ড 2022 ও উচ্চ শিক্ষায় এককালীন ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে তপশিলি জাতি কল্যাণ মন্ত্রী ভগবান চন্দ্র দাস একথা বলেন। তপশিলিজাতি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তপশিলি জাতি কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সরকার রাজ্যের তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও তপশিলি জাতি অংশের মানুষের আর্থসামাজিক মান উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। গুণগত শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার লক্ষো ছাত্র ও ছাত্রী আবাসগুলিতে অনলাইনে বিশেষ কোচিং-এর ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে রাজ্যের তপশিলি জাতির ১৪ জন ছাত্রছাত্রীকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে
ভাল ফল করায় ড. বি আর আম্বেদকর বিশেষ মেধা পুরস্কার দেওয়া হয়। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত ১১ জন ছাত্রছাত্রীকে ড. বি আর আম্বেদকর মেরিট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। তাছাড়াও ৫ জন ছাত্রছাত্রীকে উচ্চ শিক্ষায় বিশেষ কোর্স করার জন্য এককালীন ১ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তপশিলি জাতি কল্যাণ মন্ত্রী শ্রীদাস ছাত্রছাত্রীদের হাতে মেধা পুরস্কার ও শংসাপত্র তুলে দেন। উল্লেখ্য, রাজ্যে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর ৩,৯৯৯ জন ছাত্রছাত্রীকে এবছর মেধা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ১৬৫ জনকে উচ্চ শিক্ষা কোর্স করার জন্য এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের আরও ৪০০ জনকে এবছর এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের বিশেষ সচিব অভিষেক চন্দ্রা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা সন্তোষ দাস। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা সুব্রত মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা নান্টু রঞ্জন দাস এবং তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের প্রাক্তন অধিকর্তা নিরঞ্জন বর্মণ। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করে তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা।
