মেলা মানুষের মধ্যে সংহতিবোধ সৃষ্টি যেমন করে তেমনি গ্রামীণ সংস্কৃতির বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। তাছাড়াও গ্রামীণ মেলার মাধ্যমে রোজগারের সুযোগও সৃষ্টি হয়। আজ আনন্দনগরের সুলতান শাহ দরগা প্রাঙ্গণে ৫ দিনব্যাপী আয়োজিত সংহতি মেলার উদ্বোধন করে কারামন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল একথা বলেন। তিনি বলেন, মেলা মানেই মিলন উৎসব। মানুষে মানুষে সংহতির বাতাবরণ। বাণিজ্যিক আদান প্রদান ও স্বজনের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। আমাদের একতাকে সমৃদ্ধ করে। অনুষ্ঠানে কারামন্ত্রী সকলকে ৫ দিনব্যাপী মেলার আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান অজয় কুমার দাস
এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা রতন বিশ্বাস। স্বাগত ভাষণ দেন ডুকলি ব্লকের বিডিও স্বরূপ কুমার পাল। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সংহতি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আনন্দনগর গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান শীলা বণিক, পশ্চিম আনন্দনগর গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান সুকুমার সরকার, শ্রীনগর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান ভজন পাল, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্য ভুলন সাহা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী মলয় লোখ। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন সত্যনিষ্ঠা সাংস্কৃতিক সংস্থার শিল্পীগণ। ৫দিনব্যাপী সংহতি মেলা উপলক্ষে আয়োজিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রদর্শনীস্টলও খোলা হয়েছে।
