সোমবার বক্সনগর টাউন হল মাঠে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এক সুবিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের ইনচার্জ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পীযূষ কান্তি বিশ্বাস, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব, বক্সনগর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী জয়দুল হোসেন, সোনামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী নীল কমল সাহা, ধনপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হাবিল মিঞা, নলছর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী লুটান দাস।
এইদিন উক্ত জনসভা থেকে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ত্রিপুরাবাসী দুয়ারে সরকার চায়, দুয়ারে গুন্ডারাজ নয়। এক সপ্তাহ আগে আমরা ইস্তাহার প্রকাশ করেছি, যেখানে আমরা স্পষ্ট করে বলেছি যে যদি আমরা নির্বাচনে জয়লাভ করি তাহলে সাড়ে ছয় লাখ মহিলারা পক্ষীর ভাষার প্রকল্পের সুবিধা পাবে”।
তিনি আরো বলেছেন, “বিজেপি বলেছিল যে রাজ্যের যুবকদের জন্য মিসড কলে চাকরি হবে কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। হাসপাতালে ডাক্তার নেই, স্কুল কলেজে শিক্ষক নেই, পাকা রাস্তা ঘাট নেই, পানীয় জলের সমস্যায় আক্রান্ত সাধারণ মানুষ, বেকারত্ব চরমে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে, বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ত্রিপুরায় এইমস হবে, কোথায় এইমস হয়েছে? ২০২২ সালে তৃণমূল কংগ্রস যখন বিপ্লব দেবের কুশাসন নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল, বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে বাধ্য হয়েছিল। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর, আমি যখন ত্রিপুরায় মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে পুজো দিতে এসেছিলাম, আমার ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল। তবুও, আমি কথা দিচ্ছি, তৃণমূল কংগ্রেস শেষ রক্ত বিন্দু পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে”।
