🚨🧧কমলা সাগরে সীমান্ত হাট দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ

করোণা মহামারীর সময়কালে সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখনো খুলেনি কমলা সাগর সীমান্ত হাট।
বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি সীমান্তবর্তী এলাকায় গড়ে উঠেছিল সীমান্ত হাট আর এই সীমান্ত হাট গড়ে ওঠার ফলে বাংলাদেশ এবং ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্যে ব্যবসার মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের সাথে ভাতৃত্বের সম্পর্ক আরো চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল। ঠিক একইভাবে রাজ্যে বাম সরকার থাকাকালীন সময়ে বিশালগড় মহাকুমার অন্তর্গত কমলাসাগর মায়ের মন্দিরের পার্শ্ববর্তী ভারত বাংলা সীমান্তে দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টায় সীমান্ত হাট গড়ে উঠেছিল। সপ্তাহে একদিন করে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা এই হাটে তাদের পন্য সামগ্রী নিয়ে ব্যবসার উদ্দেশ্যে বসতো এই সীমান্ত হাটে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ যেমন কেনাকাটা করতে আসতো ঠিক একই ভাবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও মানুষ এই সীমান্ত হাটে আসতো। উভয় দেশের মধ্যেই বিভিন্ন সামগ্রী বেশ ভালো পরিমাণে বেচাকেনা হতো। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয় তারপর সারা বিশ্ব জুড়ে শুরু হয় করোণা মহামারীর আতঙ্ক ,এই করোণা মহামারীর আগেই হঠাৎ করে  কমলা সাগরের এই সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে যায়‌। তারপর থেকেই কমলা সাগরের এই সীমান্ত হাট একেবারে জনশূন্য হয়ে পড়ে, শুনশান হয়ে যায়। কিন্তু আজও কমলা সাগরের এই সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা হয়নি সরকারের পক্ষ থেকে। তাই এই সীমান্ত হাট নিয়ে কমলাসাগরের এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরেই এই সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে রয়েছে, যখন এই সীমান্ত হাট চালু ছিল তখন দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন জিনিস বেচাকেনা সহ দুই দেশের মানুষের সাথে ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন গড়ে উঠেছিল তাছাড়াও সীমান্ত হাট চালু থাকার সময় হাটের বাইরের দোকানগুলিতেও খুব ভালো ব্যবসা হতো কেননা রাজ্যের মানুষ এই সীমান্ত হাটে এসে  মায়ের মন্দির ও দর্শন করত এবং মায়ের মন্দিরের পাশের ব্যবসায়ীরাও খুব ভালো ব্যবসা করতে পারত। বর্তমানে এই সীমান্ত হাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কমলা সাগরের স্থায়ী ব্যবসায়ীদের বাজার মন্দা বলে জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা আরও জানিয়েছেন কমলার সাগরের এই সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করার জন্য বাংলাদেশ এবং ভারত দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে। তাই সরকারের কাছে ব্যবসায়ীরা দাবি জানিয়েছেন সরকার যেন অবিলম্বে পুনরায় এই কমলাসাগর সীমান্ত হাট চালু করার ব্যবস্থা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *