রাজ্যে সুস্থ পরিবেশের সমাজ গড়ে তুলতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সরকারের একার পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। সামাজিক সংস্থা বা ক্লাবের সাথে যুক্ত হয়ে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে। আজ আগরতলার উত্তর বাধারঘাটস্থিত স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাবের অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী। নিজের বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাবকে জনস্বার্থে এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করেছেন।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডা. সাহা বলেন, ক্লাব কর্মকর্তাদের দায়িত্ব নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটির রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। এই অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে, এলাকার জনসাধারণের সুবিধার্থে এই অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ক্লাব কর্তৃপক্ষের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী আহ্বান জানান। স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাবের সাথে যুক্ত মহিলা সদস্যাদের উপস্থিতি এবং তাদের পরিবেশিত সঙ্গীতানুষ্ঠানের প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মহিলাদের উন্নয়ন না ঘটলে সমাজ, রাজ্য ও দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নেশামুক্ত ত্রিপুরা গঠনে সরকার সংকল্পবদ্ধ। নেশার বিরুদ্ধে অভিযানে সরকার এসআইটি গঠন সহ নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে ক্লাব ও সামাজিক সংস্থাগুলিকেও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। সুস্থ ও উন্নত সমাজ গঠনে ক্লাব ও সামাজিক সংস্থার দায়িত্ব রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটা অংশের মানুষ সমস্যা হলেই ক্লাবে আসেন। কিন্তু ক্লাবের ও সমাজের উন্নতির লক্ষ্যে অংশ নিতে তাদের দেখা যায় না। প্রসঙ্গক্রমে মুখ্যমন্ত্রী আত্মসম্মান ও জীবনে চলার পথকে সুগম করতে বিভিন্ন সামাজিক সংস্থার সাথে যুক্ত হয়ে সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আগরতলা পুরনিগমের কর্পোরেটর সম্পা সরকার চৌধুরী, কর্পোরেটর অভিজিৎ মল্লিক, সমাজসেবী সঞ্জয় সাহা, স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাবের সম্পাদক কমল দেব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সভাপতি সরযূ চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
