কর্মক্ষেত্রে সাফাই কর্মীদের বিশেষ অবদানকে সম্মান জানানোর লক্ষ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলো মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহার নেতৃত্বাধীন ত্রিপুরা সরকার। এসমস্ত কর্মীদের সরকারিভাবে “ফ্রন্টলাইন হেলথ ওয়ার্কার” হিসাবে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সাফাই কর্মীদের জন্য নানাদিক থেকে সুবিধা ও লাভ নিশ্চিত করবে। কারণ তারা বর্জ্য দ্রব্যের সাফাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ খুবই নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে।
তাদের ফ্রন্টলাইন হেলথ ওয়ার্কার বা অগ্রভাগের স্বাস্থ্য কর্মী হিসাবে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে রাজ্য সরকার এসকল মানুষের প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক সাজ সরঞ্জাম সরবরাহ করার দিকটি নিশ্চিত করতে চায়। সেইসাথে তারা যাতে প্রয়োজনীয় টিকা সঠিক সময়ে পেতে পারেন সেবিষয়ে নিশ্চিত করতে চায় সরকার। সমাজের এসকল মানুষের প্রতি সরকারের গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার প্রমাণ হিসেবে রাজ্য সরকার তাদের পাশে থাকার উদ্যোগ নিয়েছে। কোভিড -১৯ মহামারি চ্যালেঞ্জের সময়েও তারা নিজেদের দৈনন্দিন দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী এক বার্তায় জানান, কোভিড-১৯ মহামারির কঠিন সময়ে ত্রিপুরা এবং অন্য জায়গায় নিযুক্ত সমস্ত ফ্রন্টলাইন সাফাই কর্মীদের অবদানকে অভিনন্দন জানাতে চাই। এই উদ্যোগটি সমাজের দুর্বল এবং প্রান্তিক শ্রেণীর জন্য একটি অগ্রণী পদক্ষেপ হয়ে থাকবে।
মুখ্যমন্ত্রী আরো জানান, রাজ্য সরকার সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস এবং সবকা প্রয়াসের অংশ হিসেবে পশ্চিম জেলার অধীন বোরাখা ও রানীরবাজার প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, উত্তর জেলার অধীন আনন্দবাজার স্বাস্থ্য কেন্দ্র, গোমতী জেলার অধীন আঠারবোলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, উনকোটি জেলার অধীন মাছমারা স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং সিপাহীজলা জেলার অধীন সোনামুড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্টাফ কোয়ার্টার নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোর উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ফলাফল দেবে। সাধারণ মানুষ, সেইসাথে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এধরনের পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এক্ষেত্রে মোট ব্যয় বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৬৮৮.৬২ লাখ টাকা।
