দেশের মূল শক্তি হচ্ছে খুব সম্প্রদায়। খুব সম্প্রদায়ের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের ফলে দেশ আজ আত্মনির্ভর হয়ে উঠছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দেশের যে বিকাশ হচ্ছে তাতে খুব সম্প্রদায়ের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। আজ বিশালগড় নতুন টাউনহলে সিপাহীজলা জেলাভিত্তিক যুব উৎসবের উদ্বোধন করে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় একথা বলেন। অনুষ্ঠানে ক্রীড়ামন্ত্রী আরও বলেন, সুস্থ সমাজ গঠনে যুব সম্প্রদায়ের ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা ও দেশ গঠনে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। রাজ্য সরকার ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এই দুটি ক্ষেত্রেই যুব সম্প্রদায়ের প্রতিভা বিকাশের সম্ভাবনা থাকে। এই সম্ভাবনার কথা মনে রেখেই রাজ্য সরকার ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
জেলাভিত্তিক যুব উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিপাহীজলা জিলা পরিষদের সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস দত্ত বলেন, এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়তে যুব সম্প্রদায়কে দায়িত্ব নিতে হবে। অনুষ্ঠানে বিধায়ক সুশান্ত দেব বলেন, নেশামুক্ত ত্রিপুরা ও সুস্থ সমাজ গঠনে যুব সম্প্রদায়কে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিধায়ক অন্তরা সরকার দেব। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিপাহীজলা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার ও নেহেরু যুব কেন্দ্রের রাজ্য অধিকর্তা জবা চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন বিশালগড় পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান ছন্দা দেববর্মা, বিশালগড় পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন অঞ্জন পুরকায়স্থ, বিশালগড় মহকুমার মহকুমা শাসক বিনয়ভূষণ দাস প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ন্যাশন্যাল ইয়ুথ পার্লামেন্ট ফেস্টিভেলের রাজ্যভিত্তিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানাধিকারী সঞ্জীব মজুমদারকে সংবর্ধনা জানানো হয়। ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় তার হাতে স্মারক তুলে দেন। জেলাভিত্তিক যুব উৎসবে জেলার বিভিন্ন স্থানের সাংস্কৃতিক দল সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। তাছাড়াও অনুষ্ঠিত হয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। নেহেরু যুব কেন্দ্রের উদ্যোগে এবং সিপাহীজলা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলাভিত্তিক এই যুব উৎসবের আয়োজন করা হয়।
