শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে পুর নিগমের মেয়র আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে নাগরিক স্বাচ্ছন্দের জন্য বিস্তারিতভাবে জানান। ইতি মধ্যেই পুর নিগমের পক্ষ থেকে আসন্ন শারদীয়া দূর্গোৎসবের প্রাক প্রস্তুতি হিসাবে কাউন্সিল ও এম,আই,সি মিটিং সম্পূর্ণ হয়েছে। আসন্ন দূর্গোৎসবে যেন আগরতলা শহর আরো বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও আলোকময় থাকে এবং পূজোয় যেন মানুষের কোন প্রকার অসুবিধা না হয়, দূর্গোৎসব যেন সার্বিক ভাবে নির্বিঘ্নে কাটে তার জন্য পুর নিগমের পক্ষ থেকে সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
এই প্রথম বারের মত আগরতলা পুর নিগম সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুর নিগম এলাকার সকল ক্লাব,সংস্থা,পূজা কমিটি,পূজা উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রাইজ মানিসহ সুদৃশ্য ট্রফি দিয়ে পুরুস্কৃত করা হবে। যেমন ১)সেরার সেরা প্রতিমা ২)সেরার সেরা মন্ডপ ৩)সেরার সেরা থিম ৪)সেরার সেরা আলোক সজ্জা ও ৫)সম্পূর্ণ মহিলাদের দ্বারা পূজা পরিচালনার জন্য ইত্যাদি। এই ৫টি পুরস্কার সমগ্র আগরতলা শহরের জন্য দেওয়া হবে। সঙ্গে থাকবে ৫০হাজার টাকা করে প্রাইজ মানি ও সুদৃশ্য ট্রফি। আবার জোন ভিত্তিকও দেওয়া হবে আরো ৪টি করে পুরুস্কার। যেমন ১)সেরা প্রতিমা ২)সেরা মন্ডপ ৩)সেরা থিম ও ৪) সেরা আলোক সজ্জা ইত্যাদি। সঙ্গে থাকবে ২৫হাজার টাকা করে প্রাইজ মানি ও সুদৃশ্য ট্রফি। সম্পুর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে বিচারকদের রায় অনুসারে পুরস্কার প্রদান করা হবে। কোন ক্ষেত্রে একই ক্যাটাগরিতে বিচারকদের রায় অনুসারে যদি যুগ্ম পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হয় সে ক্ষেত্রে প্রাইজ মানি সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। পুর নিগমের ৪টি জোনে ইতি মধ্যেই পূজার অনুমতি ফর্ম এবং এই পুরস্কারের জন্য আবেদন পত্র বিতরন করা শুরু হয়েছে। ক্লাব,সংস্থা,পূজা কমিটি,পূজা উদ্যোক্তাদের নিজ নিজ জোন থেকে এই ফর্মগুলো সংগ্রহ করে নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
প্রতিমা নিরঞ্জন সুষ্ঠভাবে সম্পুন্ন করার লক্ষে আগরতলা পুর নিগমের পক্ষ থেকে দশমীঘাটকে ব্যাপক সংস্কার করা হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখ থাকে যে রাস্তা সংস্কার, আলোকসজ্জা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যাবস্থা এবং অত্যাধনিক ট্রলির মাধ্যমে প্রতিমা নিরঞ্জন সম্পুন্ন করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসন্মতি ভাবে নেওয়া হয়েছে। এইবার দশমীঘাটে বাদ্যযন্ত্র, ডি জে সিস্টেম নিয়ে দশমীঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন স্থানে প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে এবছর। বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে আগরতলা পুর নিগমের তরফ থেকে বাদ্যযন্ত্র, এবং মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দশমীঘাটের জন্য অস্থায়ী সৌচালয়ের ব্যাবস্থা করা হবে।
প্রতিমা নিরঞ্জনে ৩ শিপটে পর্যাপ্ত শ্রমিকের ব্যাবস্থা রাখা হবে।
প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য দুটি ক্রেনের ব্যাবস্থা রাখা হবে এবং শিব বাড়ি থেকে দশমীঘাট অবদি ত্রিবর্ন রঞ্জিত আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হবে এছাড়া আগরতলা শহরের আরো ছয়টি প্রধান সড়ক কে ত্রিবন রঞ্জিত আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হবে।
যেমন পোষ্ট অফিস চৌমুহনী থেকে কামান চৌহমনি পর্যন্ত।
মঠ চৌহমনি থেকে এম বি বি কলেজ গেইট পর্যন্ত।
ওল্ড আর এম এস চৌমুহনী থেকে রাজবাড়ীর উত্তর গেট ভায়া
কর্নেল চৌমুহনী পর্যন্ত।
দূর্গা চৌমুহনী থেকে বটতলা পর্যন্ত। বটতলা শিব মন্দির থেকে দশমীঘাট পর্যন্ত।
রাজবাড়ীর উত্তর গেইট থেকে
থেকে গেইল অফিস পর্যন্ত।
