বৃহস্পতিবার ভুতুরিয়া স্থিত বিদ্যুৎ ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ ত্রিপুরা এনার্জি ভিশন ২০৩০ রোড ম্যাপের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমবর্ধমান। আগামীতে আরও বাড়তে পারে এই চাহিদা । বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে কিভাবে সুচারু ভাবে পরিচালিত করা যায় তা নিয়েই তৈরি হয়েছে এই ত্রিপুরা এনার্জি ভিশন ২০৩০ রোড ম্যাপ।
ভিশন ২০৩০ রোডম্যাপ মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করে করা হবে।
এর মধ্যে প্রথমটি স্বল্পমেয়াদী ( 2023 2024 )
দ্বিতীয়টি মধ্যমেয়াদী (2025-2027)
এবং তৃতীয়টি দীর্ঘমেয়াদী (2028-2030)
এর মধ্যে ট্রান্সমিশন, ডিস্ট্রিবিউশন পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উন্নয়ন, বিতরণ ইউটিলিটিগুলির আধুনিকীকরণ, বিতরণ পরিকাঠামোর উন্নতিকরণ এবং আন্তঃসীমান্ত পাওয়ার এক্সচেঞ্জের উপর জোর দিয়ে, রোডম্যাপের লক্ষ্য স্থির করা হবে। এর মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিল্প বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং সরকার তথা নিগমের জন্য লাভজনক রাজস্ব আদায়ের বিষয়টিও নিশ্চিত কড়ার উপরে জোর দেয়া হবে।
এনার্জি ভিশন 2030 এর জন্য ফোকাস ক্ষেত্রগুলি ম্যাপ করার জন্য, বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দক্ষতার উন্নতি, গ্রামীণ এলাকায় পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির বাস্তবায়ন, ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমাদের আন্তঃরাজ্য ট্রান্সমিশন সিস্টেমকে শক্তিশালী করা, প্রিপেইড স্মার্ট মিটারিং এবং ক্ষতি হ্রাস কার্যক্রমকে অগ্রসর করা, গ্রিড (FPI, RMU) আপগ্রেড করা এবং নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নত করা। উপরন্তু, বিল পেমেন্ট, নতুন সংযোগ এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কিত বিরামহীন ইন্টারঅ্যাকশনের জন্য একটি ভোক্তা এনগেজমেন্ট ওয়েব পোর্টাল ও তৈরি করা হবে। যা রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা ক্ষেত্র কে ভোক্তাদের কাছে আরো বেশি সহজলভ্য এবং উন্নত মানের পরিষেবা পৌঁছে দিতে সমর্থ হবে। এ ধরনের বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে এনার্জি ভীষণ ২০৩০ রোড ম্যাপে।
