প্রতি ঘরে সুশাসন অভিযানে আজ কুমারঘাট ব্লকে বিকাশ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চায়েত সমিতি হলে অনুষ্ঠিত ব্লকভিত্তিক এই বিকাশ সভায় শ্রমমন্ত্রী ভগবান চন্দ্র দাস, কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান হ্যাপি দাস, ভাইস চেয়ারম্যান দেবব্রত দত্ত, কুমারঘাট বিএসি’র চেয়ারম্যান তপনজয় রিয়াৎ, ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ইউ কে চাকমা, বিডিও ড. সুদীপ ভৌমিক সহ ব্লকের গ্রামপঞ্চায়েত ও ভিলেজ কমিটির প্রধান, উপপ্রধান, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানগণ, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় শ্রমমন্ত্রী ভগবান চন্দ্র দাস বলেন, একটা সময় ছিল সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেতে গেলে মানুষকে সরকারের কাছে যেতে হতো। এখন পরিস্থিতির মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। এখন সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌছাতে প্রশাসন মানুষের কাছে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়াকে আরও সুসংগঠিত রূপ দিতে প্রতি ঘরে সুশাসনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সভায় শ্রমমন্ত্রী শ্রী দাস আরও বলেন, ত্রিপুরার বেশীরভাগ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করেন। বেশীরভাগ জনজাতি অংশের মানুষ এডিসি এলাকায় বসবাস করেন। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্প সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নন। এই অংশের মানুষদের প্রকল্পগুলি সম্পর্কে সচেতন করে তাদের বেশী বেশী করে প্রকল্পের সুবিধা দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে ভূমিকা নিতে আহ্বান জানান।
সভায় জেলাশাসক ইউ কে চাকমা বলেন, মিশন মুড়ে প্রতি ঘরে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের জনকল্যাণকর কর্মসূচিগুলিকে পৌঁছে দিতে হবে। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত জেলার সর্বত্র অভিযান চলবে। এজন্য জেলার সবগুলি গ্রামপঞ্চায়েত ও ভিলেজে ক্যাম্প সংগঠিত হবে। জেলা পর্যায়ে হবে দু’টি বিকাশ মেলা এবং জেলার চারটি ব্লকের সবগুলিতে আরও দু’টি করে বিকাশ। মেলার আয়োজন করা হবে। তিনি জল জীবন মিশন, আয়ুষ্মান ভারত, পি এম কিষাণ, জীবন জ্যোতি বীমা, পি এম সুরক্ষা যোজনা, পি এম জনধন যোজনা, অটল পেনশন যোজনা, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড, উজ্জ্বলা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী গ্রামীণ সমৃদ্ধি যোজনা, প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী চা প্রকল্প, ই-শ্রম ইত্যাদি প্রকল্পগুলি নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা, মৎস্য, পানীয়জল ও স্বাস্থ্য বিধি, প্রাণী সম্পদ বিকাশ, গ্রামোন্নয়ন, খাদ্য, পূর্ত, বন, কৃষি, বিদ্যালয় শিক্ষা, গ্রামীণ জীবিকা মিশনের প্রতিনিধিগণ নিজ নিজ দপ্তরের প্রকল্পগুলি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
