কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাংবাৎসরিক দীপান্বিতা কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। কথিত আছে মহালয়া অর্থাৎ পিতৃপক্ষের অবসান এবং মাতৃপক্ষের শুভারম্ভ। এই সময় বিদেহী আত্মারা জল গ্রহণের জন্য মর্ত্যে আসেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, তাঁরা দীপাবলি পর্যন্ত মর্ত্যেই থাকেন।
দীপাবলির অমাবস্যা তিথিতে ফের আত্মারা ফিরে যান স্বর্গলোকে। অন্ধকারে যাতে পিতৃপুরুষদের ফিরে যেতে কোনও অসুবিধা না হয়, তাই তাঁদের পথ আলোকিত করে রাখতেই ঘরে ঘরে জ্বালানো হয় প্রদীপ। দীপান্বিতা কালীপুজো য় সারা শহর বাড়িঘর আলোকিত হয়ে থাকে। আর চারদিন পরেই দীপান্বিতা কালীপুজো। মূর্তি পাড়ায় চলছে চরম ব্যস্ততা। শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় প্রতিমার চাহিদা রয়েছে অনেকটাই বেশি। তবে জিনিসপত্রের দাম অত্যাধিক বেড়ে গেছে ফলে দাম রাখতে হচ্ছে কিছু টা বেশি। যদিও বাঙালি বারো মাসে ১৩ পার্বণ। তবে এ বছরের মত কালী পুজো হয়েছে বড় আকারের পুজোর সমাপ্তি ফলে এ বছরের মত যতটা পারা যায় লাভ করে রাখাই লক্ষ্য কুমোরদের।
