রাজ্যে এইডস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছুদিন পূর্বে একটি খবরের জেনে সারা ভারতবর্ষেই রাজ্যের এইডস রোগীদের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রাজ্য ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন ত্রিপুরা রাজ্য এইডস কন্ট্রোল সোসাইটি।
রাজ্যে ক্রমবর্ধমান এইডস রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন হাইকোর্টের বিচারপতি অমরনাথ গৌড় গত ২৫ শে জুলাই একটি চিঠি দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি অপরেশ সিং কে। এই চিঠির ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতি অপরেশ সিং একটি স্বতঃপ্রণোদিত জনস্বার্থ বিষয়ক মামলা গ্রহণ করেন। ২৫ শে জুলাই প্রধান বিচারপতি অপারেশ সিং ও বিচারপতি অরিন্দম লোধের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে নোটিশ ইস্যু করেছিল এবং আগামী দুই সপ্তাহের ভেতর এইডস সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হাইকোর্টকে অবহিত করতে বলেছিল। শুধু রাজ্য সরকারকেই নয় নোটিশ ইস্যু করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে পাশাপাশি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর, শিক্ষা দপ্তরকেও । মামলার গত দুইটি তারিখে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার তাদের এফিডেভিট দাখিল করে। তাদেরকে বলা হয়েছিল এইডস রোগের সংখ্যা কমাতে নিজেদের সাজেশন দেওয়ার জন্য।পুনরায় কোর্টে বুধবার মামলাটি উঠলে নিম্নে লিখিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়,
প্রথমত টার্গেটেড গ্রুপ টাকে আইডেন্টিফাই করতে হবে। দেখা গেছে ২৫ থেকে ৩০ বছরের যুবাদের মধ্যেই এই সংক্রমনের প্রাধান্য বেশি। এখন আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা হচ্ছে এটা কি পড়ার চাপে না ড্রপ আউট এর মধ্যেই বেশি করে সংক্রামিত হচ্ছে। দেখা গেছে ড্রপ আউট স্টুডেন্টরা একই নিডেলে ড্রাগস গ্রহণের ফলেই এইডস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি করে। কিভাবে এই ব্যাপারটা মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে কেউ বলছে হাই প্রোফাইল কমিটি গঠন করা, কেউ বলছে সেন্টালাইজড টিম গঠন করা। এখন পর্যন্ত রায়ের কপি হাতে আসেনি রায়ের কপে হাতে আসলে দেখা যেতে পারে এ ব্যাপারে পরবর্তী শুনানিতে বিশেষজ্ঞদের মতামত সরাসরি হোক অথবা ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে জানতে পারে ডিভিশন ব্যাঞ্চ বলে জানান সরকারি আইনজীবী কিংকর নারায়ণ ভট্টাচার্য।
