আজ মহাবীরের ২৬২৪তম জন্ম বার্ষিকী। সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও আজকের দিনটি ধর্মীয় আচার-আচরণের মাধ্যমে পালন করে জৈন ধর্মাবলম্বীরা। আগরতলা টাউন হল সংলগ্ন মহাবীর মন্দিরে আজ আয়োজিত হয় বিশেষ পূজা ও প্রার্থনা সভার। আজকের দিনটির তাৎপর্য এবং মহাবীরের জীবন নিয়ে আলোচনা হয়।
ভগবান মহাবীরের জন্মদিনকে ‘মহাবীর জয়ন্তী’ হিসেবে পালন করা হয়। এই দিনটি জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলির একটি। সাধারণত চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের ত্রয়োদশীতে এই দিনটি উদযাপিত হয়। এবছর মহাবীর জয়ন্তী বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী চৈত্র মাসের ২৭ তারিখে পালিত হবে এবং ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১০ই এপ্রিল, বৃহস্পতিবার পড়ছে এই শুভ দিনটি।
ভগবান মহাবীর ছিলেন জৈন ধর্মের ২৪তম তীর্থঙ্কর। খ্রিস্টপূর্ব ৫৯৯ সালে বিহারের বৈশালীর কাছাকাছি কুন্ডলপুরে এক রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর আসল নাম ছিল ‘বর্ধমান’, যার অর্থ হল ‘যিনি উন্নতি করছেন’। শৈশব থেকেই তিনি শান্ত, সহানুভূতিশীল ও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। জীবনের আরাম-আয়েশ ছেড়ে তিনি ৩০ বছর বয়সে সংসার ত্যাগ করেন এবং আত্মসাধনায় মনোনিবেশ করেন।
তিনি অহিংসা, সত্য, অচৌর্য, ব্রহ্মচর্য এবং অপরিগ্রহ—এই পাঁচটি মৌলিক নীতির প্রচার করেন, যা পরবর্তীতে জৈন ধর্মের মূল স্তম্ভ হয়ে ওঠে। যা পঞ্চশীল নামে পরিচিত।
