যুবরাজনগর প্রয়োজন হলে আগামীদিনে থানা স্থাপনে সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হবে : মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যের যে কোনও স্থানে নতুন থানা স্থাপনের ক্ষেত্রে সেই স্থানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বর্তমান থানা থেকে সেই স্থানের দূরত্ব এই সব বিষয় বিবেচনা করা হয়। আজ বিধানসভার দ্বিতীয়ার্ধে বিধায়ক মলিনা দেবনাথের আনীত দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের উত্তরে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশটি ছিল ‘যুবরাজনগর বিধানসভা কেন্দ্রে একটি থানা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে’। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা জানান, যুবরাজনগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট
 
৩টি গ্রাম পরিষদ ও ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। মোট জনসংখ্যা প্রায় ৭৫ হাজার। বর্তমানে এই সকল গ্রাম পঞ্চায়েত ও গ্রাম পরিষদগুলি ধর্মনগর, পানিসাগর থানার অধীন। থানাগুলি থেকে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত ও গ্রাম পরিষদগুলির দূরত্ব ১২-১৩ কিলোমিটার। তাছাড়াও ধর্মনগর থানার অধীনে আনন্দবাজার এলাকায় একটি এসপিও ক্যাম্প রয়েছে। যেখান থেকে ঐসকল এলাকায় নিয়মিত টহল দেওয়া হয়। এছাড়াও ধর্মনগর থানার অধীন বৈথংবাড়িতে একটি বিএসএফ ক্যাম্পও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এখন যুবরাজনগর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় কোনও থানা স্থাপনের সরকারি কোনও উদ্যোগ না থাকলেও প্রয়োজন হলে আগামীদিনে এই লক্ষ্যে সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *