জামাই এবং জামাইয়ের আত্মীয়র দ্বারা আক্রান্ত শশুর, শাশুড়ি, স্ত্রী ও শালা। ঘটনা মেলাঘর পোয়াংবাড়ী দুই নাম্বার ওয়ার্ড এলাকা।
আজ থেকে সাত বছর আগে মেলাঘর পোয়াংবাড়ী দুই নাম্বার ওয়ার্ড এলাকার সুব্রত দাসের বোন সোনাই দাসের আগরতলা পঞ্চমুখ এলাকার বিশ্বজিৎ দাসের সাথে বিয়ে হয়। সোনাই দাসের অভিযোগ তার স্বামী এবং তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে এবং তার স্বামী কোন কাজকর্ম করেনা, প্রত্যেকদিনই তাকে প্রচন্ড মারধর করত এই অভিযোগ মূলে সোনাই দাস তার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে ৪( চার) স্বামীর বাড়ি ছেড়ে নিজ বাবার বাড়ি মেলাঘর পোয়াংবাড়িতে চলে আসেন। এই বিষয়ে সোনাই দাসের স্বামী বিশ্বজিত দাস দীর্ঘ চার মাসের উপর কোন খোঁজ খবর না নিয়ে হঠাৎ গতকাল বিশ্বজিৎ দাসের মেলাঘর মাস্টার পাড়ার মামা খোকন বর্মন ও দুই ছেলে এবং বিশ্বজিৎ দাস নিজে গাড়ি করে তার শ্বশুর বাড়িতে এসে সোনাই দাস এর ছোট্ট মেয়েকে জোরজবস্তি করে গাড়িতে তুলতে গেলে সোনাই দাস ও তার পরিবার বাধা দিলে তাদের উপর আক্রমণ করে খোকন বর্মন তার দুই ছেলে এবং স্বামী বিশ্বজিৎ দাস। তাদের আক্রমণে সোনাই দাস সহ তার মা-বাবা এবং তার ছোট ভাই সুব্রত দাস আহত হয়। শেষ পর্যন্ত মেলা ঘরের ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি গিয়ে আহতদেরকে মেলাঘর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তাদের মেলাঘর হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। এ বিষয়ে সোনাই দাস ও তার পরিবার খোকন বর্মন তার দুই ছেলে এবং তার স্বামী বিশ্বজিৎ দাসের বিরুদ্ধে মেলাঘর থানা লিখিতভাবে মামলা করেন। এ বিষয় কে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
