সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলো রাজ্য সরকার

সোনামুড়া থানার লকআপে ২০২১ সালের ১৫সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয়  সোনামুড়া  বলারডেপা এলাকার জামাল হোসেনের। তখন পুলিশের বিরুদ্ধে ত্রিপুরা হাইকোর্টে মামলা করে জামালের পরিবার, উচ্চ আদালতের রায়  জামাল হোসেনের মৃত্যু  হাজত হিংসায় হয়েছে বলে জানায়,এই হাজত হত্যার দায় রাজ্য সরকার এড়াতে পারে না,প্রধান বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ মোহান্তি ও  বিচারপতি এসজি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ ১২ ই জুন  রিট মামলার রায়ে  রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল , হাজত হিংসায় জামালের মৃত্যুর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে  ১০ লক্ষ টাকা চার সপ্তাহের মধ্যে জামালের স্ত্রী, নাবালক সন্তান ও মাকে প্রদান করতে হবে। সোনামুড়া নাগরিক অধিকার মঞ্চের সহায়তা রিট মামলাটি দায়ের করেছিল জামালের স্ত্রী, নাবালক সন্তানরা ও মা। এই রিট মামলার রায় রাজ্য সরকার মেনে নেয়নি। সুপ্রিম কোর্টে ছুটে গিয়েছিল  হাজত হিংসায় হত্যার দায় এড়াতে।  সরকারি কোষাগার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে  এস এল পি দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার  ত্রিপুরা উচ্চ আদালতের রায় নাকচ করার জন্য। ইতিমধ্যে  জামালের স্ত্রী,  সন্তানরা ও মা  উচ্চ আদালতের রায় অবমাননা করার অভিযোগে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছে  সরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশের মহা নির্দেশকের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় আদালত নোটিশ জারি করেছে।  ২১ শে  অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের এস এল পি পত্রপাঠ খারিজ করেছে। ত্রিপুরা উচ্চ আদালতের রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে ক্ষতিপূরণের টাকা রাজ্য সরকারকে দিতেই হবে।  না দেওয়ার আর কোন রাস্তা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *