নেতা কতৃক বিধবার টাকা আত্মসাৎ

৭০ বছরের বিধবা জোসনা দাস। স্বামী নিরঞ্জন দাস প্রয়াত হয়েছেন বহু আগেই। বাড়ি বিশালগড় থানার অন্তর্গত উত্তর চড়িলামের কালী টিলায়। বাঁচার একমাত্র সম্বল বিবাহিত কন্যা অনিতা দাস। তিনিই দেখাশোনা করেন বৃদ্ধা মায়ের। স্বামী নিরঞ্জন দাস প্রয়াণের আগে স্ত্রীর জন্য কিছু নগদ অর্থ জমিয়ে রেখেছিলেন। বিষয়টি জানতেন চড়িলাম মন্ডলের একাংশরা। গৃহকর্তা নিরঞ্জন বাবু মারা যাওয়ার পর বৃদ্ধার টাকার প্রতি লোভ পড়ে মন্ডল সদস্যদের।  চড়িলাম মন্ডলের এস সি মোর্চা নেতা গোপাল দাস বিধবা মহিলাকে ফুসলিয়ে ফাঁসলিয়ে 50 হাজার টাকা  নিয়ে যায় মাসিক লভ্যাংশের লোভ দেখিয়ে। আরও ২০ হাজার টাকা নেয় গোপাল দাসের ভগ্নিপতি তাপস দাস। ২০১৯ সালের ১৫ জুলাই মোট ৭০ হাজার টাকা নিয়ে নেয় নেতা ও তার ভগ্নিপতি বলে অভিযোগ। অভিযোগ আজ পর্যন্ত দুজনের একজনও বিধবা বৃদ্ধাকে এক টাকাও ফিরিয়ে দেয়নি। দেব, দিচ্ছি বলে বহুদিন ধরে বিধবা জোসনা দেবীকে নাজেহাল করছে অভিযুক্তরা। তবে টাকা দেওয়ার বেলায় জোসনা দেবী স্টাম্প পেপারে লিখিত আকারে স্বাক্ষর রেখেছিলেন। বিষয়টি চাউর হতেই চড়িলাম বিজেপির অন্য গোষ্ঠী নড়ে চড়ে বসে। তারাও চাইছেন বৃদ্ধার টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হউক। অভিযোগ বিজেপি নেতা গোপাল দাস বাইক কেলেঙ্কারির সঙ্গেও যুক্ত। তারই আস্তানা থেকে একটি চুরির বাইক উদ্ধার করে থানায় আটক করে রেখেছে পুলিশ।বৃদ্ধা জোসনা দাস সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দুই দিনের মধ্যে বিজেপি নেতারা টাকা ফিরিয়ে না দিলে দারস্ত হবেন মন্ডল নেতৃত্বের। যদি এতেও কোন বিহিত না হয় লিখিত অভিযোগ করবেন বিশালগড় থানায়। ঘটনাটিকে ঘিরে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে গোটা চড়িলাম বিধানসভা এলাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *