কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে : তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী

লেম্বুছড়াস্থিত ত্রিপুরা কৃষি কলেজে ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ কমিউনিকেশন আগরতলা ফিল্ড অফিসের উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা কৃষি কলেজের সহযোগিতায় আজ তিনদিন ব্যাপী ফটো এক্সিবিশান কাম আউটরিচ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। আজাদিকা অমৃত মহোৎসব, ৮ বছরের সেবা, সুশাসন এবং গরীব কল্যাণের উপর এই এক্সিবিশানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হবার পর দেশের উন্নয়নে বিশেষ করে কৃষকদের উন্নয়নে কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে সেই বিষয়ে রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ এবং স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অবগত করার জন্য এই এক্সিবিশানের আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার, কৃষকদের উন্নয়নে, গরীব অংশের মানুষের উন্নয়নে, ছাত্রছাত্রীদের উন্নয়নে কি কি কর্মসূচি রূপায়ণ করছে তা প্রত্যেকের জানা দরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের ভাল করে পড়াশুনা করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, সমাজের একটা অংশ বা ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই সবাইকে নিয়েই চলতে হবে। কোথায় কি উন্নতি হচ্ছে প্রত্যেককে জানতে হবে। উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সুফল অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সরকার চলছে। তিনি বলেন, সারা দেশে কৃষকদের উন্নতির জন্য ও কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ভারতবর্ষ কৃষি প্রধান দেশ এবং দেশের অর্থনীতি কৃষি ভিত্তিক। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৪১০ জনকে ২ হাজার টাকা করে প্রতি মাসে ভাতা দিচ্ছে। তিনি নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গঠনে এবং ড্রাগস’র বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ কমিউনিকেশন আগরতলা ও কৈলাসহর শাখার হেড অফ ফিল্ড অফিস এইচ কে চেং। আই সি এ আর-এর এনইএইচ রিজিয়নের ত্রিপুরা সেন্টারের আধিকারিক ড. বিশ্বজিৎ দাস, লেম্বুছড়াস্থিত ফিসারী কলেজের ডিন ড. রতন কুমার সাহা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরা কৃষি কলেজের অধ্যক্ষ ড. টি কে মাইতি। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের অর্গানাইজিং সেক্রেটারি থিংরিন্দাম থিরেনিয়াস কে এস। অতিথিগণ অনুষ্ঠানে প্রদর্শনী গ্যালারী পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী সহ কৃষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *