রাজ্যের সামগ্রিক বিকাশে একসাথে কাজ করতে হবে প্রশাসন ও মানুষকে। তাহলেই উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। আজ আগরতলার প্রজ্ঞাভবনে পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে জল জীবন মিশনের পর্যালোচনা বৈঠকে একথা বলেন পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। সভায় উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং, মুখ্য বাস্তুকার শ্যামলাল ভৌমিক, অধিকর্তা রাজীব মজুমদার সহ বিভিন্ন সার্কেল ও ডিভিশনের তত্ত্বাবধায়ক, নির্বাহী ও সহকারি বাস্তুকার ও ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেডের প্রতিনিধিগণ। সভায় পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে দপ্তরের কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তৃত তথ্য তুলে ধরা হয়।
সভায় পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান দপ্তরের মন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে জল জীবন মিশনে পরিশ্রুত পানীয়জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান দপ্তরকে মিশন মুডে কাজ করতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই প্রায় সব পরিবারে পানীয়জলের সংযোগ পৌঁছে দিতে হবে। কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত সেরে ফেলার জন্য সভায় সংশ্লিষ্ট সকলকে মন্ত্রী নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, রাজ্যের ৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৯৪৫টি বাড়ির মধ্যে ৪ লক্ষ ৬ হাজার ৮৭৫টি বাড়িতে পানীয়জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৫৫ শতাংশ বাড়িতে ইতিমধ্যেই পানীয়জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। জল জীবন মিশন চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬১৬টি ডিপটিউবওয়েল, ২,৭২৩টি স্মর বোর ডিপটিউবওয়েল, ৬১টি ইনোভেটিভ ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম, ৩টি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ৬৮টি আয়রন রিম্যুভাল প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। রাজ্যের ৩,৫৭১টি স্কুল ও ৫,০০৯টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ট্যাপের মাধ্যমে পানীয়জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ৪৭টি গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়িতে ট্যাপের মাধ্যমে পানীয়জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
