তপশিলি জাতি সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীদের গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে : তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী

তপশিলি জাতি সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীদের গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। তাদের পড়াশুনার সুবিধার জন্য রাজ্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। আজ কুমারঘাটের পাবিয়াছড়া দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট তপশিলি জাতি ছাত্রীনিবাসের শিলান্যাস করে তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী ভগবান চন্দ্র দাস একথা বলেন। তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী বলেন, তপশিলি জাতি সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাস গড়ে তোলার পাশাপাশি পুরাতন ছাত্রাবাসগুলিকে সংস্কার করে সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। উল্লেখ্য, তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তর থেকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই ছাত্রীনিবাস তৈরির জন্য বায় হবে ২ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা।
ছাত্রীনিবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী ভগবান চন্দ্র দাস বলেন, মানুষের মধ্যে আগের চাইতে শিক্ষার সচেতনতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্য সরকারও শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। গরীব ঘরের তপশিলি জাতি ও উপজাতি ছাত্রছাত্রীদের কথা চিন্তা করে সরকার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হোস্টেল তৈরি করছে। আগামীদিনে আরও হোস্টেল তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার থেকে যে সকল সুবিধা তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রদান করা হয় তা সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ করার জন্য অনলাইন পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে। তিনি জানান, তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রছাত্রীরা যদি প্রফেশনাল এডুকেশন নিতে চায় সেক্ষেত্রে এখন থেকে ছাত্রছাত্রীরাই ঠিক করতে পারবে তারা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করবে। দপ্তর থেকে এজন্য যে বরাদ্দ অর্থ দেওয়া হয় তা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করে দেওয়া হবে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে অনেক ছাত্রছাত্রী উপকৃত হবে ও তাদের জীবনমান উন্নয়ন হবে বলেও শ্রীদাস আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের উপঅধিকর্তা তখশিরায় দেববর্মা বলেন, সারা রাজ্যে দপ্তর পরিচালিত তপশিলি জাতিভুক্ত ছাত্রীদের জন্য মোট ৫২টি হোস্টেল। রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রছাত্রী রয়েছে ১,০৮৩ জন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জেলা শিক্ষা আধিকারিক প্রশান্ত কিলিকদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমারঘাট মহকুমার মহকুমা শাসক সুব্রত কুমার দাস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ত দপ্তরের কার্যনির্বাহী প্রকৌশলী। ঊষারঞ্জন দাস, পাবিয়াছড়া দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুব্রত পাল, কুমারঘাটের শিক্ষা পরিদর্শক বিরলা সিং কলই, সমাজসেবী পবিত্র দেবনাথ, কার্তিক দাস, অনিমেষ সিনহা প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *