🧧🚨রাজ্যে প্রাণীসম্পদ পালনের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে : প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী

রাজ্যে প্রাণীসম্পদ পালনের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার মানুষকে প্রাণীসম্পদ পালনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী স্বনির্ভর পরিবার যোজনা অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে। আজ ডুকলি ব্লকের বল্লভপুর গ্রামপঞ্চায়েতে আমতলী প্রাণী চিকিৎসালয়ের নবনির্মিত দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করে প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী ভগবান চন্দ্র দাস একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কারামন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল। উল্লেখ্য, এই দ্বিতল প্রাণী চিকিৎসালয় ভবনটি নির্মাণ কাজে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী শ্রীদাস বলেন, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর প্রাণী পালকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। এই দপ্তর প্রাণী পালকদের প্রাণীসম্পদ বিকাশের পরিষেবা দিয়ে থাকে। আজ এখানে প্রাণী পালকদের গৃহপালিত প্রাণীর চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষকের কাছে জমির মতো প্রাণীও একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এই সম্পদকে সুরক্ষিত ও সুস্থ রাখার জন্য প্রাণী চিকিৎসালয়ের আধুনিকীকরণ বিশেষ প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, সেই প্রয়োজনের দিকে লক্ষ্য রেখেই বর্তমান সরকার কাজ করছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রাণী চিকিৎসার জন্য ২৬টি মোবাইল ভ্যান চালু করা হয়েছে। এই ভ্যানে প্রাণী ডাক্তার, নার্স এবং প্রাণী চিকিৎসা সামগ্রী সবই মজুত থাকবে। প্রাণী চিকিৎসার প্রয়োজনে এই ভ্যান প্রাণী পালকদের বাড়িতে পৌঁছে যাবে। অনুষ্ঠানে প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী প্রাণী পালকদের প্রাণী পালনের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে আরও বেশী করে প্রাণী পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কারামন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল বলেন, এই প্রাণী চিকিৎসালয়ের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলের প্রাণী পালকদের অনেক দিনের স্বপ্ন পূরণ হল। সাধারণ মানুষ তাদের গৃহপালিত প্রাণীদের জন্য আজ থেকে একটি সুষ্ঠু চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বচ্ছলতার দিকে লক্ষ্য রেখেই কাজ করে যাচ্ছে। সেজন্য সরকার নানা প্রকল্প রূপায়ণ করছে। কারামন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ এলাকার মানুষকে প্রাণী পালনের মধ্য দিয়ে আত্মনির্ভর করে তুলতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান অজয় কুমার দাস ও প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা অমিতাভ দাশগুপ্ত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা প্রাণী সম্পদ বিকাশ কার্যালয়ের উপঅধিকর্তা ড. সুব্রত শুরুদাস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্য ভুলন সাহা, সূর্যমনিনগর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান বিভা সরকার (দাস), বাগমারা গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান পম্পা দাস (দেবনাথ) এবং সমাজসেবী মাণ্ডু দেবনাথ। সভাপতিত্ব করেন বল্লবপুর গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান মিলন দাস ( রায়)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *