সিস্টেমেটিক ভোটারস এডুকেশন এন্ড ইলেকটোরাল পার্টিসিপেশন (এসভিইইপি) এর অঙ্গ হিসেবে আজ ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজিত হয়। কর্মসূচিতে সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্যুইজ এবং একটি ছোট নাটক ‘অধিকার’ মঞ্চস্থ করা হয়। কর্মসূচি আয়োজনের উদ্দেশ্য নতুন ভোটারদের বিপুলভাবে ভোটদানে উৎসাহিত করা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কিরণ গিতো বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারত। তৎকালীন নেতাদের দূরদর্শীতা আমাদের সংবিধানে প্রথম থেকেই জাতপাত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ভোটাধিকার প্রদান করা হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এক শক্তিশালী রূপ পেয়েছে। যেখানে গণদেবতার রায় দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বরা শান্তিপূর্ণভাবে মেনে নেন। কিন্তু বর্তমান বিশ্বের অনেক আধুনিক দেশগুলিতেও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অনেকটাই সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়ছে। এদিন তিনি ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এবং সকল নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগে যে সকল ব্যবস্থা করা হচ্ছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কিরণ গিত্যে এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল সার্ভিসেস অ্যাসপিরেন্ট ক্লাব গঠন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গঙ্গাপ্রসাদ প্রসাইন, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক দেবপ্রিয় বর্ধন, রেজিস্ট্রার দীপক শর্মা, ডিন অব স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ডা. সোমদেব বণিক। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ক্যুইজে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কিরণ গিতো সহ অন্যান্য অতিথিগণ। উল্লেখ্য, পশ্চিম জেলাশাসক কার্যালয়ের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা বিপুল সংখ্যায় এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।
