পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও সমানতালে এগিয়ে গেলেই এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গঠন করা
সম্ভব হবে। গড়ে উঠবে আত্মনির্ভর ত্রিপুরাও। এজন্যই রাজ্যেও বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও প্রকল্প চালু করা হয়েছে। আগে রাজ্যের একটি মাত্র জেলায় এই প্রকল্প চালু ছিল। বর্তমান সরকার আসার পর প্রতিটি জেলায় এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। আজ চম্পকনগরে হারাধন সাহা স্মৃতি কমিউনিটি হলে ত্রিপুরা বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও কর্মসূচি নিয়ে একদিনের কর্মশালার উদ্বোধন করে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা একথা বলেন।
কর্মশালার উদ্বোধন করে সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, আগে শুধুমাত্র পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ওয়ান স্টপ সেন্টার চালু ছিল। নির্যাতিতা মহিলারা এখানে আশ্রয় নিতে পারেন। বর্তমানে প্রতিটি জেলায় ওয়ান স্টপ সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। নারী নির্যাতন ও বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে সচেতনতা আরও বাড়াতে এবং রুখে দাঁড়াতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু সরকারি প্রচেষ্টায় নেশামুক্ত ত্রিপুরা গঠন করা সম্ভব হবে না। এই কাজে রাজ্যের সব অংশের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ত্রিপুরা কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস এর চেয়ারম্যান হিমানী দেববর্মা, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের পশ্চিম জেলা আধিকারিক ড. চন্দ্রানী বিশ্বাস, সমাজসেবী অভিজিত দেববর্মা প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জিরানীয়া ব্লকের সিডিপিও হীরালাল দেববর্মা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলবাড়ি বিএসি’র চেয়ারম্যান ব্রোকেন দেববর্মা, চাইল্ড রাইটস কমিশনের সদস্যা মনিষা সাহা ও শর্মিলা চৌধুরী। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন মঞ্জু দাস।
