🧧🚨 প্রদেশ কংগ্রেসের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ

রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রদেশ কংগ্রেস ২০ দফা ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন। সামাজিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন ও জারিতা লাইফালাং টিপিসিসি সেক্রেটারি আইসিসি।
ঘোষণাপত্র টি হলো নিম্নরূপ:
১/ আইনশৃঙ্খলা কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ করা হবে ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।
২/ দুর্নীতি দমনে লোকাযুক্ত আইনকে সংশোধনের মাধ্যমে শক্তিশালী করা হবে।
৩/ সরকারি হাসপাতালে গরীবদের জন্য ফ্রি পরিষেবা চালু করা হবে। দ্রুত সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা সম্প্রসারণ করা হবে। মেডিক্যাল ট্যুরিজমের মাধ্যমে রাজ্যের রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি করা হবে।
৪/ বিদ্যুৎ চুরি এবং ট্রান্সমিশন লস বন্ধের মাধ্যমে ১৫০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ফ্রি দেওয়া হবে।
৫/ বি.পি.এল পরিবারের কন্যা সন্তানের বিবাহের জন্য ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে৷ কন্যা সন্তানদের কে.জি. থেকে পি.জি বিনামূল্যে পড়ানো হবে। বিশেষ ভাবে সক্ষম সন্তানদের
শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে।
৬/ উচ্চশিক্ষা ও ব্যবসার জন্য খুব ক্রেডিট কার্ড চালু করা হবে এবং ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুদ বিহীন ঋণ প্রদান করা হবে।
৭/ ষাটোর্ধ্ব ধর্মাবলম্বীদের গয়া, কাশী, বৃন্দাবন, মথুরা এবং শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র দেবের শিষ্যদের পুণ্য ভূমি দেওঘরে বছরে একবার স্পেশাল ট্রেনের মাধ্যমে তীর্থ ভ্রমণ করানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
৮/ ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্যুইন্টাল প্রতি ২০৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০০ টাকা করা হবে।
৯/ ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্যুইন্টাল প্রতি ২০৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০০ টাকা করা হবে।
১০/ ড্রাগস কারবারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে৷
১১/ ১৪টি অত্যাবশকীয় পণা সুলভ মূল্যে গণবণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে।
১২/ ১০৩২৩ চাকুরিচ্যুত শিক্ষকদের বাস্তবসম্মত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং প্রয়াত শিক্ষক পরিবারগুলোকেও এর আওতায় আনা হবে। শিক্ষা অভিযানের শিক্ষক-অশিক্ষকদের হাইকোর্টের রায় কার্যকরী করা হবে।
১৩/ সংখ্যালঘুদের আর্থিক ও সামাজিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে একটি সুসংহত প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।
১৪/ সরকারি দফতরে নিয়মিতভাবে শূন্যপদ পূরণ করা হবে এবং আগামী ৩ বছরে ৫০ হাজার বেকার যুবক/যুবতির কর্মসংস্থান উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং রাজা সরকারের চাকরিতে গ্রুপ-সি এবং -ডি পাम হিজোর বেকারদের নিয়োগ বন্ধ করা হবে।
১৫/ মূল্য সূচকের ভিত্তিতে কৃষি, রাবার, চা-শ্রমিক সহ সকল শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করা হবে।
১৬/ এডিসিতে অধিক ক্ষমতা প্রদানের লক্ষ্যে সংবিধানের ১২৫তম সংশোধনী বিল সংসদে পাশ করানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। দরিদ্র উপজাতিদের আর্থ-সামাজিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।
১৭/ বন্ধন ব্যাঙ্ক সহ সকল মাইক্রো ফিনান্স কোম্পানির ঋণ গ্রহিতাদের আর্থিক ক্ষতি বন্ধে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নির্দেশাবলী কার্যকর করা সুনিশ্চিত করা হবে।
১৮/ চিটফান্ড দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
১৯/ রাজ্যের প্রত্যেক গরীব পরিবারে বছরে ৬টি সিলিন্ডারের জন্য প্রতি সিলিন্ডার পিছু ৫০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে।
২০/ ত্রিপুরা সরকারি কর্মচারীদের পুরনো পেনশন স্কিম চালু করা হবে, স্থির বেতনের কর্মচারীদের ২ বছরের মধ্যে নিয়মিত করা হবে, সকল অনিয়মিত ও চুক্তিবদ্ধ কর্মচারীদের নিয়ম মেনে নিয়মিত করা হবে, কর্মচারীদের গ্র্যাচুইয়িটি ১৫ লক্ষ টাকা করা হবে, গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি কর্মচারীদের মেডিক্যাল রি-ইম্বার্সমেন্টের আওতায় আনা হবে, বছরে দু’বার কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা প্রদান করা হবে, বহিরাজ্যে কর্মরত টিএসআরদের ফিরিয়ে আনা হবে, পুলিশ-টিএসআর হোমগার্ড এবং এসপিও দের রেশম মানি- পোশাক- ভাতা ইত্যাদি বৃদ্ধি করা হবে। ডাই-ইন-হারনেস স্ক্রিমকে সরলীকরণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *