🚨🧧মানুষের বিপদে তাঁর পাশে দাঁড়ানো একজন আদর্শ মানুষের পরিচয় : সুশান্ত

মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কৃষ্ণটালিতে স্থানীয় এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে ব্রহ্মা-শীতলা-কালীপুজো উপলক্ষে আয়োজিত একটি স্বেচ্ছায়  রক্তদান শিবিরের শুভ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। উদ্বোধন করে তিনি বলেন,
কোনো মানুষের বিপদে তাঁর পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া একজন আদর্শ মানুষের পরিচয়। প্রতি মুহূর্তে একবিন্দু রক্তের জন্য জীবনযুদ্ধে পরাজিত হচ্ছে কতশত মানুষ, এটা আমাদের  কোনোভাবেই কাম্য নয়।স্বেচ্ছায় রক্তদান করার মধ্য দিয়ে আমরা অনেক মুমূর্ষু রুগীর প্রাণ বাঁচাতে পারি। আমাদের স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিনিময়ে  একজন মুমূর্ষু মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে অনেক অসাধ্যসাধন ঘটলেও কৃত্রিম উপায়ে রক্ত আবিষ্কার এখনও হয়নি । ফলে যে সমস্ত রোগীর কোনো কারণে অতিরিক্ত রক্তের প্রয়োজন হয়, তখন সেই রক্ত সুস্থ মানুষের শরীর থেকেই সংগ্রহ করতে হয়। এইজন্য রক্তদান একটি মহৎ দান বলে বিবেচ্য।  বর্তমানে সরকারি রক্তভাণ্ডারে সংরক্ষিত রক্তের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম মজুত আছে। বেসরকারীভাবে রক্ত কিনতে প্রচুর পয়সা লাগে। তাছাড়া রোগজীবাণু সংক্রমিত হওয়ার ভয় থাকে। সেই কারণে আমাদের সবাইকে উদ্যোগ নিয়ে নিয়মিতভাবে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে হবে।
সভ্যতার পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কর্তব্যমূলক কর্মসূচিগুলির মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে মহৎ এবং পবিত্র কাজটি হলো মানুষের জীবন বাঁচানো। কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে আমাদের পক্ষে কোন মুমূর্ষু মানুষের জীবন রক্ষা করা সবসময় সম্ভব হয়ে ওঠেনা। তাই এক্ষেত্রে সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হতে পারে রক্তদান।
প্রতিবছর বহু মানুষ কেবলমাত্র রক্তের অভাবে মারা যায়। তাই আমাদের শরীরের অতি সামান্য পরিমাণ রক্তের বিনিময়ে যদি আমরা সেই সকল মানুষের জীবন রক্ষায় সক্ষম হই তাহলে তা হবে সভ্য মানব জীবনের পরম সার্থকতা।  আজকের এই মহতী রক্তদান শিবিরে  রক্তদানকারী সকল রক্তদাতাদের তাঁদের এই সেবামূলক কাজ ও মানসিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি। পাশাপাশি আজকের এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত রক্তদানকারী সকল রক্তদাতাদের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *