🧧🚨তুই কল পাড়া এডিসি এলাকায় পাহাড় থেকে ছুঁয়ে পড়া জলই একমাত্র জীবন ধারণের উৎস

মুঙ্গিয়াকামি আর.ডি ব্লকের অন্তর্গত প্রত্যন্ত তুইকল পাড়া এলাকায় প্রায় ৩০টির অধিক জনজাতি রিয়াং পরিবারের বসবাস। এই পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জীবনের জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে নানাহ সমস্যার সম্মুখীন। স্বাধীনতার ৭৬ বছর পেরিয়ে গেলেও ওই সকল পরিবারগুলির আজও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হয়নি। আজও সেই বাঁশবেতের তৈরি জড়াজীর্ণ টংঘরেই জীবন যাপন করছে ঐ সকল জনজাতি পরিবারগুলি। তাদের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি ঘর পর্যন্ত। এই সকল সমস্যাগুলি ছাড়াও যে মূল সমস্যার কথা তুইকল পাড়া এলাকার সেই পরিবারগুলি বারবার তুলে ধরেন এবং যার জন্য তাদের নিত্যদিন সংগ্রাম চালাতে হয়,,,, সেটা হল এলাকায় ভয়াবহ পানীয় জলের সমস্যা। একটা সময় মুঙ্গিয়াকামি আর.ডি ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে তুইকল পাড়া এলাকায় প্রতিদিন গাড়িযোগে পানীয় জল পাঠালেও,,, বর্তমানে তা বন্ধ বলে জানা যায় ব্লক প্রশাসনের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে। ফলে এই তুইকল পাড়া এলাকায় তীব্র পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে। বিশাল আকার পাহাড় চুষে পড়া অপরিশুদ্ধ অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন পানীয় জলই বর্তমানে তুইকল পাড়ার জনজাতি মানুষজনদের একমাত্র সম্বল। এই অস্বাস্থ্যকর জলের উপর নির্ভর করে প্রত্যেকটি পরিবারের খাবারের জল থেকে শুরু করে স্নান বাসন মাজার জল এর একমাত্র ব্যবস্থা। আর এই পানীয় জল ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়ত ভয়ানক জল বাহিত নানা রোগের শিকার হচ্ছেন তুইকল পাড়ার শূন্য থেকে আশির সকলেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাদের এই সমস্যাটির ব্যাপারে স্থানীয় মুঙ্গিয়াকামি আর.ডি প্রশাসনও ভালোভাবেই অবগত রয়েছেন। কিন্তু ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে এই সমস্যার সমাধানে কোন সদর্থক ভূমিকা নেই বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের। এখন দেখার বিষয়, সংবাদটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের টনক নড়ে কিনা।
              অন্যদিকে, যেহেতু এই তুইকল পাড়া এলাকাটি স্ব-শাসিত জেলা পরিষদের আওতাধীন, তাই স্থানীয় তুইকল পাড়ায় বসবাসকারী মানুষজনদের মধ্য থেকে দাবি উঠতে শুরু করে দিয়েছে এ.ডি.সি প্রশাসন এবং রাজ্য প্রশাসন যাতে অতিদ্রুত তাদের এই সমস্যা সমাধানের মধ্য দিয়ে, তাদের বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দেয়।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *