🚨🧧পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের দারিদ্র্য দূরীকরণ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভা

পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাগৃহে আজ জিলা পরিষদের দারিদ্র্য দূরীকরণ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি কৃষ্ণজিৎ দাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি হরিদুলাল আচার্য ও সংশ্লিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্য সদস্যাগণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ। সভায় পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান দপ্তরের প্রতিনিধি জানান, গত অর্থবছরে পশ্চিম জেলায় ৮৫টি নতুন গভীর নলকূপ খনন করা হয়েছে। আরও ৪৩টি নলকূপ খননের কাজ চলছে। পূর্বের খনন করা ২৮১টি গভীর নলকূপের মধ্যে ১৫৯টি নলকূপ চালু করা হয়েছে। ১২২টি নলকূপ চালু করার জন্য প্রস্তুতি চলছে। ২৯৭টি স্মলবোর খনন ও চালু করা হয়েছে। এছাড়া পাইপলাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে ৪৪৭ কিলোমিটার। জল জীবন মিশনে ৭৭ হাজার ২৯৮টি বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয়জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। জেলায় ১৩টি আয়রন রিম্যুভাল প্ল্যান্ট চালু করা হয়েছে।
সভায় উদ্যানপালন ও ভূমি সংরক্ষণ দপ্তরের প্রতিনিধি জানান, চলতি বছরে জেলার ১২ হাজার ৭০৫টি পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রী স্বনির্ভর পরিবার যোজনায় ফলের চারা ও সব্জির বীজ দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্প উদ্যান প্রকল্পে ১০৬ হেক্টর জমিতে গাঁদা, গোপাল, রজনীগন্ধা ও গ্লাডিউলাস ফুলের চাষ করা হবে। এতে ৫৩০টি পরিবার উপকৃত হবে। এছাড়া ৩১টি পরিবারকে গ্রিন হাউস নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এমজিএন রেগায় এবছর জেলার ৩৪ হেক্টর জমিতে আম বাগান করা হবে। মৎস্য দপ্তরের প্রতিনিধি সভায় জানান, প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনায় গত বছর জেলার ৯টি মৎস্যজীবী পরিবারকে নতুন পুকুর খনন করে দেওয়া হয়েছে। ২টি পরিবারকে রঙিন মাছচাষে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ৪টি পরিবারকে আইসবক্স সহ তিন চাকার ই-রিক্সা এবং ২টি পরিবারকে আইসবক্স সহ মোটরসাইকেল দেওয়া হয়েছে।
সভায় বন দপ্তরের সদর মহকুমা প্রতিনিধি জানান, এবছর আনন্দনগর ও শালবাগানের ২টি নার্সারিতে জাম, বয়রা, তেঁতুল, চাঁপাফুল, বাঁশ, ইয়াংচার ১০ লক্ষ চারা উৎপাদন করা হয়েছে। এছাড়া ডুকলি ব্লকের ফুলতলি গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়মুড়ায় কনককাইচ বাঁশের বাগান করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *