উন্নয়নের স্বার্থে কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করতে হয়: মেয়র

  আগরতলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে পানীয় জলের সমস্যা। বিশুদ্ধ পানীয় জল অনেক এলাকাতেই পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে পুর নিগম জল বোর্ডের সহায়তায় শহরবাসীকে পরিশোধিত পানীয় […]

রাজ্য সরকারের মূল উদ্দেশ্য মহিলাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রদান: মুখ্যমন্ত্রী

  আগরতলা, ২৫ অক্টোবর: রাজ্য সরকারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মহিলাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দেওয়া। রাজ্যে বর্তমানে লাখপতি দিদি হয়েছেন ১,০৮,২৮১ জন। যা শতকরা অনুপাতে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৫%। আজ আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী […]

মধ্যে আরেকদিন তারপর সোমবার দিন কালীপূজা। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে অমাবস্যা তিথি লাগবে সোমবার দুপুর ৩টে ৪৬ মিনিট। এ মামা এর পূজা অনুষ্ঠিত হবে রাত ১০টা ৫৮ মিনিট গতে ১১টা ৪৬ মিনিটের মধ্যে।অমাবস্যা শেষ হবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৫:৫৫ মিনিটে। দশ মহাবিদ্যার প্রথম দেবী হলেন দেবী কালী। অশুভ শক্তি নিধনের উদ্দেশ্যে দেবতাগণের অনুরোধে দেবী পার্বতী দেবী কালীর সৃষ্টি করেন। অসুর শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচারে পৃথিবী উত্ত্যক্ত হয়ে ওঠে। এই দুই দানব এতটা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে যে দেবতারাও এদের ভয়ে ত্রস্ত হয়ে স্বর্গ ত্যাগ করতে উদ্যত হন। শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচার থেকে নিষ্কৃতি পেতে দেবতাগণ দেবরাজ ইন্দ্রের শরণাপন্ন হন। দেবরাজ ইন্দ্রের অনুরোধে দেবী পার্বতী শুম্ভ-নিশুম্ভ নিধনের জন্য নিজের শরীর কোষ থেকে এক ভয়ঙ্করী দেবী সৃষ্টি করেন। সেই দেবীই হলেন মা কালীর আদি রূপ। এই কালীপূজাকে ঘিরে সাজো সাজো রথ চারিদিকে।মূর্তি পাড়ায়ও চলছে চরম ব্যস্ততা। সময় কম অতএব শেষ সময়ের প্রস্তুতি চলছে, জোর কদমে। লক্ষী পূজা থেকে কালীপূজার ভেতরে সময় ব্যবধান কম থাকায় ব্যস্ত তাও বেশি। মৃৎশিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল ছোট প্রতিমার চাহিদা রয়েছে বেশি। প্রতিমা তৈরি জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় কিছুটা মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে প্রতিমা বলেও জানা যায়। অপরদিকে আগরতলা শহর সেজে উঠছে আলোর মালায়।

মধ্যে আরেকদিন তারপর সোমবার দিন কালীপূজা। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে অমাবস্যা তিথি লাগবে সোমবার দুপুর ৩টে ৪৬ মিনিট। এ মামা এর পূজা অনুষ্ঠিত হবে রাত ১০টা ৫৮ মিনিট গতে ১১টা ৪৬ মিনিটের মধ্যে।অমাবস্যা শেষ হবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৫:৫৫ মিনিটে। দশ মহাবিদ্যার প্রথম দেবী হলেন দেবী কালী। অশুভ শক্তি নিধনের উদ্দেশ্যে দেবতাগণের অনুরোধে দেবী পার্বতী দেবী কালীর সৃষ্টি করেন। অসুর শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচারে পৃথিবী উত্ত্যক্ত হয়ে ওঠে। এই দুই দানব এতটা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে যে দেবতারাও এদের ভয়ে ত্রস্ত হয়ে স্বর্গ ত্যাগ করতে উদ্যত হন। শুম্ভ-নিশুম্ভের অত্যাচার থেকে নিষ্কৃতি পেতে দেবতাগণ দেবরাজ ইন্দ্রের শরণাপন্ন হন। দেবরাজ ইন্দ্রের অনুরোধে দেবী পার্বতী শুম্ভ-নিশুম্ভ নিধনের জন্য নিজের শরীর কোষ থেকে এক ভয়ঙ্করী দেবী সৃষ্টি করেন। সেই দেবীই হলেন মা কালীর আদি রূপ। এই কালীপূজাকে ঘিরে সাজো সাজো রথ চারিদিকে।মূর্তি পাড়ায়ও চলছে চরম ব্যস্ততা। সময় কম অতএব শেষ সময়ের প্রস্তুতি চলছে, জোর কদমে। লক্ষী পূজা থেকে কালীপূজার ভেতরে সময় ব্যবধান কম থাকায় ব্যস্ত তাও বেশি। মৃৎশিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল ছোট প্রতিমার চাহিদা রয়েছে বেশি। প্রতিমা তৈরি জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় কিছুটা মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে প্রতিমা বলেও জানা যায়। অপরদিকে আগরতলা শহর সেজে উঠছে আলোর মালায়।

রঞ্জিত নগর অখন্ড পঞ্চবটি মন ব্যক্তি একটি স্থায়ী মন্দিরে স্থানান্তরিত করার দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকাবাসীর। সেই দাবি মোতাবেক রামনগরের বিধায়ক তথা মেয়র দীপক মজুমদার একটি স্থায়ী মন্দির তৈরি করে দেয় সেই এলাকায়। আগামীকাল তথা রবিবার এই মন্দিরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। আজ এই এলাকা ঘুরে দেখেন মেয়র দীপক মজুমদার ১৪ নং ওয়ার্ড কর্পোরেটর স্নিগ্ধা দাস দেব রামনগর মন্ডল সভাপতি অমিতাভ ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা। মেয়র জানায় আগামী চৈত্র মাসে যখন বাৎসরিক কালী পূজা করা হয় এই মন্দিরে তখন সেখানে একটি পাথরের স্থায়ী মূর্তি বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ ধনতেরাস যা “ধনত্রয়োদশী”নামেও অপরিচিত । ঐতিহ্যগতভাবে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশ তিথিতে ধনতেরাস পালিত হয়। প্রতিবছরই ধনতেরাসে সোনার দোকানে উপচে পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হয়। শনিবারে দেখা গেল প্রতিটি সোনার দোকানে উপচে পড়া ভিড়। লোকের বিশ্বাস ধনতেরাসে সোনা কেনা হয় কারণ এটি বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে সোনা কিনলে সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি এবং দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ লাভ হয়। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রথা যা সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যকে স্বাগত জানানোর জন্য পালন করা হয়। এই দিনে সোনা, রূপা এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র কেনা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। ধনতেরাস হল দেবী লক্ষ্মী এবং ভগবান কুবেরের পূজা করার দিন, যারা সম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক। তাই এই দিনে সোনা কেনা মানে দেবীর আশীর্বাদকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানানো বলে মনে করা হয়।