উন্নয়ন কর্মসূচি রূপায়ণে গুণগতমান বজায় রাখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এর কাজ সমাপ্ত করতে হবে। কর্মসূচি রূপায়ণ নিয়ে কোনও সমস্যা দেখা দিলে দ্রুততার সাথে তার সমাধানও করতে হবে। তাহলেই উন্নয়ন কর্মসূচি রূপায়ণে গতি আসবে। কুমারঘাটে পূর্ত দপ্তরের কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে গতকাল ৫১- ফটিকরায় (এসসি) বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে এক পর্যালোচনা সভায় প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী সুধাংশু দাস একথা বলেন। সভায় তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মসূচি রূপায়ণে উন্নয়ন কর্মসূচির সাথে যুক্ত প্রকৌশলীগণদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক রাজীব দত্ত, কুমারঘাট মহকুমার মহকুমা শাসক ডা. সুদীপ ভৌমিক, পূর্ত দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক বাস্তুকার রতিরঞ্জন দেবনাথ, পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক বাস্তুকার সুশান্ত চন্দ্র দেব, জলসম্পদ দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক বাস্তুকার শ্যামল কুমার দাস, গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক বাস্তুকার পরিমল দেববর্মা প্রমুখ।
সভায় প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী ৫১-ফটিকরায় (এসসি) বিধানসভা এলাকায় পূর্ত দপ্তর থেকে যে সমস্ত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, পূর্ত দপ্তর থেকে যে সমস্ত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলির গুণগতমান বজায় রেখে দ্রুত শেষ করতে হবে। ফটিকরায় এলাকার যে সমস্ত সড়ক বর্ষাকালে চলাচলের পক্ষে উপযোগী নয় সেগুলির দ্রুত সংস্কার করতে হবে। সভায় তিনি ফটিকরায় দ্বাদশ শ্রেণী: বিদ্যালয়ের মাঠের উন্নয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই এই বিদ্যালয়ের মাঠের উন্নয়নের জন্য যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তর থেকে ১ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান, জলসম্পদ, গ্রামোন্নয়ন ও বিদ্যুৎ নিগমের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়। পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধান দপ্তর থেকে জানানো হয় ৫১-ফটিকরায় (এসসি) বিধানসভা এলাকায় জলজীবন মিশনে। ১১ হাজার ৮৬৯টি বাড়িতে পাইপলাইনে পানীয়জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। জলসম্পদ দপ্তরের কর্মসূচি নিয়ে প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী বলেন, ফটিকরায় এলাকায় এ সময়ে কৃষি জমিগুলি সব্জি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এই জমিগুলিতে জলসেচের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার উপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
