গোমতী জেলা প্রশাসন, গোমতী জেলা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া কার্যালয় এবং সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে আজ উদয়পুরের রাজর্ষি হলে গোমতী জেলাভিত্তিক যুব উৎসব ও বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও কর্মসূচি পালন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা, শিল্প, সংস্কৃতি ও মহিলাদের সার্বিক বিকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। আজকের দিনে সমাজের সকল ক্ষেত্রে মহিলাদের ভূমিকা প্রশংসার দাবী রাখে। এখন সমাজে মেয়েরা আর পিছিয়ে নেই। আমাদের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে সমাজের সকল ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্ষমতায়ণ চলছে। তিনি বলেন, সরকারি কলেজে পড়াশুনার জন্য মেয়েদের এখন আর টাকা দিতে হয় না। সরকার মেয়েদের বিনামূল্যে সরকারি কলেজে পড়াশুনার ব্যবস্থা করেছে। তিনি আরও বলেন, যুবক যুবতীদের প্রতিভা বিকাশে যুব উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। আজকের যুবারা আগামী দিন দেশ পরিচালনার কাজে অংশগ্রহণ করবে। যুবক যুবতীদের সকল ক্ষেত্রে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সমাজের অন্তিম ব্যক্তির কাছে সরকারি সুযোগ সুবিধা তুলে ধরার জন্য প্রতি ঘরে সুশাসন ২.০ কর্মসূচি চলছে। তিনি সকলকে এই সুবিধা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেন।
অনুষ্ঠানে গোমতী জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি তথা অনুষ্ঠানের সভাপতি দেবল দেবরায় বলেন, সমাজের সার্বিক বিকাশের জন্য সকল ক্ষেত্রে মহিলাদের অংশগ্রহণ জরুরী। তাই সরকার মেয়েদের বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি রূপায়ণ করে চলেছে। তার মধ্যে বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও, ত্রিপুরা গ্রামীণ জীবিকা মিশন অন্যতম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন শীতল চন্দ্র মজুমদার, অমরপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাঞ্জলি রায় প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গোমতী জেলার জেলাশাসক তড়িৎকান্তি চাকমা। উল্লেখ্য, আজকের এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজ সেবামূলক কাজ ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ অবদানের জন্য গোমতী জেলার ১১১ জন মেধাবী ছাত্রী, স্বাস্থ্যকর্মী, মহিলা খেলোয়াড়দের হাতে প্রাইজমানি এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন উপস্থিত অতিথিগণ।
