২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এ ডি সি নির্বাচন। পাহাড়ে বিজেপির সংগঠনে থাপা বসাচ্ছে মথা। পাহাড়ে বিজেপি দলের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে সেদিকে লক্ষ্য রেখে বৃহস্পতিবার সোনার তরী স্টেট গেস্ট হাউসে অনুষ্ঠিত হয় ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরা প্রদেশের জনজাতি চিন্তন বৈঠক।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা, বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা সহ উপজাতি নেতৃত্বরা।
বৈঠকের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রীকে জনজাতি ছেলেমেয়েরা চিরাচরিত পোশাক পরিহিত হয়ে মৌমিতা নৃত্যের মাধ্যমে স্বাগত জানায়। মুখ্যমন্ত্রী ও সেই নৃত্যে বাঁশের তৈরি বাদ্যযন্ত্র হাতে তুলে নেয়। পরবর্তীতে ঢোলকও বাজান তিনি। বৈঠক সম্পর্কে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চিন্তন বৈঠক এর অর্থ হচ্ছে নিজেদের আত্ম সমালোচনা করা। ২০১১ সালের সেন্সাসে রাজ্যের জনজাতিদের বসবাস একত্রিশ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল সে দিকে লক্ষ্য রেখে তাদের জীবন মান, অর্থনৈতিক ,ইনফ্রাস্ট্রাকচার, শিক্ষা ইত্যাদির যেন উন্নতি সাধন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ২০২৬ এডিসি নির্বাচন সেদিকে লক্ষ্য রেখে কি কি বিষয় নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হবে তা নিয়ে আজকের এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এদিন তিনি তাদের জোট সঙ্গী আইপিএফটি এবং মথা জনজাতিদের উন্নয়নে কাজ করে চলেছে বলে উল্লেখ করেন।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, জনজাতি সংগঠনকে কিভাবে আরো শক্তিশালী করা যায় সে ব্যাপারে আজকের এই বৈঠকে আলোচনা হবে। জনজাতিদের বিভিন্ন প্রকল্পগুলি কেন্দ্রীয় তথা রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর বিচার বিশ্লেষণ করা হবে। ভীষণ ডকুমেন্টে জনজাতি কল্যাণে যে সকল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তার পর্যালোচনা যদি কোন কাজ বাকি থাকে সেগুলো দ্রুত সম্পূর্ণ করা নিয়েও আজকের এই বৈঠকে আলোচনা হবে। পাশাপাশি এডিসি নির্বাচনে কি ভূমিকা থাকবে, তা নিয়ে আজকের এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি। মূলত আজকের এই বৈঠক থেকে জনজাতি সংগঠনকে কিভাবে চাঙ্গা করা হবে সে ব্যাপার একটি রূপরেখা তৈরি করা হবে।
