সরকারি নির্দেশ অমান্য করে খোলা রাখা মদের দোকান বন্ধ করলো আফগারি দপ্তর।

তেলিয়ামুড়ার ডি.সি.এম বাপ্পাদিত্য রায় ভৌমিক’কে সঙ্গে নিয়ে নবমীর দুপুরে তেলিয়ামুড়ার সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত তিন তিনটি বিলেতি মদের দোকান তালাবন্দী করল আফগানি দপ্তর। মূলত পূজোর দিনগুলি যাতে শান্তিপূর্ণ ও নির্ভীঘ্নে কাটানো যায় মূলত সে কারণেই এই উদ্যোগ।
আফগানি দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন,, দপ্তরের কাছে দুদিন ধরে খবর আসছিল সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী বিলেতি মদের দোকানগুলো পূজোর দিনগুলিতে বন্ধ থাকার কথা থাকলেও তেলিয়ামুড়ার বেশ কয়েকটি বিলেতি মদের দোকানে চুপিসারে এবং প্রকাশ্যে মদ বিক্রি করা হচ্ছিলো। এই খবরের উপর ভিত্তি করে তেলিয়ামুড়া বাজারে হানাদারি চালিয়ে খবরের সত্যতা পাওয়া যায়। তাছাড়া তেলিয়ামুড়ার ২নং বিলেতি মদের দোকানটি প্রকাশ্যে খোলা রেখে মদ বিক্রি করা হচ্ছিল এমন তথ্য প্রমাণ ভিডিও ফুটেজ সহকারে আফগানি দপ্তরের কাছে রয়েছে,সে বিষয় গুলোও খতিয়ে দেখছেন তারা। তাছাড়া তিনি আরো জানান,, দশমীর দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ৫ তারিখ পর্যন্ত বিলেতি মদের দোকান গুলো সিল করে রাখা হবে।
অন্যদিকে তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার নেতাজিনগর এলাকা থেকে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ গোপন খবরের ভিত্তি করে রঞ্জন ঘোষের বাড়িতে হানাদারী চালিয়ে প্রায় কুড়ি হাজার টাকার বিলেতি মদ আটক করে।
তবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।
বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, তেলিয়ামুড়া থানা পুলিশের আটককৃত মদ গুলো মূলত ২ নং বিলেতি মদের দোকান থেকে আফগানি দপ্তরের অভিযানের খবর আগে থেকেই আঁচ করতে পেরে রঞ্জন ঘোষ নামের ওই মদ বিক্রেতা অতি মুনাফা লাভের আশায় নিজের বাড়িতে মদ নিয়ে গিয়ে মজুদ করেছিল। কিন্তু সেই খবর তেলিয়ামুড়া থানা পুলিশের কাছে পৌঁছতেই মদ বিরোধী অভিযানে নেমে প্রায় কুড়ি হাজার টাকার বিলেতি মদ বাজেয়াপ্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
তবে এখন দেখার বিষয়, সরকারি নির্দেশকে অমান্য করে তেলিয়ামুড়া বাজারের অনুমোদন প্রাপ্ত মদের দোকান গুলোতে ভাবে প্রকাশ্যে খোলা রেখে মদ বিক্রি করছিল তাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যাবস্থা গ্রহণ করে আফগানি দপ্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *