বিশালগড়ে মর্জি মাফিক চালছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা

শিক্ষকের ইচ্ছামত চলছে মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা । এক প্রকার লাটে উঠেছে বিশালগড় কদমতলী জুনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রয়োজনীয় শিক্ষক এবং উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে তলানিতে ঠেকেছে শিক্ষার মান। সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসায় ৫৫ জন পড়ুয়া থাকলেও শিক্ষক সংখ্যা মাত্র দুজন। মাদ্রাসাটি নিয়ম মাফিক সপ্তাহে ছয় দিন খোলা থাকার কথা থাকলেও অন্তত বন্ধ থাকে দুদিন। বাকি তিন চার দিন খোলা থাকলেও নিয়মিত ক্লাস হয় না। অধিকাংশ সময় ছাত্ররা এসে মাদ্রাসার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে কিন্তু স্কুল খোলার সময় পেরিয়ে গেলেও মাদ্রাসার তালা খুলে না শিক্ষকরা ।কারণ শিক্ষকরা স্কুলের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর স্কুলে আসে। মাদ্রাসার ক্লাস গুলোর সামনে রয়েছে আবর্জনা করা হয় না পরিষ্কার। প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত সব ক্লাসের ছাত্রদের দুই ভাগে বিভক্ত করে পাঠ দান করেন দুইজন শিক্ষক। রয়েছে চেয়ার টেবিলের তীব্র সংকটও। নেই পড়ুয়াদের বসার টেবিল। এমনই জানালেন মাদ্রাসার পরিচালন কমিটির চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া। তিনি আরো জানান মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নানু হুজুর কে দুই শিক্ষকের বেতনের কিছু অংশের টাকা দিয়ে মাদ্রাসায় ফের নিয়োগ করা হয়েছে। পাঠদানের পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মীর কাজও করেন মাদ্রাসার প্রাক্তন প্রিন্সিপাল নানু হুজুর। বিষয়টি ভালো চোখে দেখছেন না কদমতলী এলাকার মানুষ। শিগগির মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় শিক্ষক এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া অনেক মাস ধরে শিক্ষকদের কাজকর্মগুলো নজরে নজরে রাখছেন, চেয়ারম্যান কিছুই বলছেন না , কারণ উনার বিশ্বাস হয়তো মাদ্রাসার শিক্ষকরা নিশ্চয়ই একদিন শুধরাবে কিন্তু দিন দিন তাদের খামখেয়ালিপনায় একেবারে লাটে চলে যাচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *