কোন মানুষই ছোট নয়। মানুষের সেবা করলেই ভগবানের সেবা করা হয়। প্রতিটি মানুষের উচিত মানবিক ভাবনা নিয়ে মানুষের কাজে এগিয়ে আসা। রাজ্যের বর্তমান সরকারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই মার্গ দর্শনে সবার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। আজ আগরতলা যক্ষ্মা নিবারণী কেন্দ্রে যক্ষ্মা রোগীদের পুষ্টিকর খাবার সামগ্রী বিতরণ ও নিক্ষয় মিত্র যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা একথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটা সময় ছিল যখন মানুষ যক্ষ্মা রোগ সম্পর্কে ভীত ছিল। এখন যক্ষ্মা রোগ সম্পর্কে ভয়ের কোন কারণ নেই। সঠিক সময়ে নিয়মিত ওষুধ খেলে এই রোগ থেকে আরোগ্যলাভ সম্ভব। তিনি বলেন, আজকে রোগীদের মাঝে খাবারের প্যাকেট বিতরণ এটা একটা প্রতিকী পদক্ষেপ। এরকমভাবে সমাজের প্রতিটি অংশের মানুষকে মানুষের সেবায় তথা যক্ষা রোগীদের সেবায় এগিয়ে আসা প্রয়োজন। সবাই মিলে ‘নিক্ষয় মিত্র’ হিসেবে রোগীদের সেবায় এগিয়ে এলে আমরা এই রোগ নির্মূল করতে পারবো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মার্গ দর্শনে বর্তমান রাজ্য সরকারও সবার সেবায় কাজ করে চলছে।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই রোগ মূলত যারা নোংরা পরিবেশে বসবাস করে এবং যারা অপুষ্টিজনিত রোগে ভুগছেন তাদেরই হয়ে থাকে। তবে নিয়মিত চিকিৎসায় থাকলে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণভাবে আরোগ্যলাভ সম্ভব। তিনি আরোও বলেন, ‘এক ত্রিপুরা, শ্রেষ্ট ত্রিপুরা’ ‘এক ভারত শ্রেষ্ট ভারত’ তখনই সম্ভব যখন সমাজের প্রত্যেকটি মানুষ একে অপরের জন্য এগিয়ে আসবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘নিক্ষয় মিত্র’ হিসেবে যক্ষ্মা রোগীদের সেবায় নি:স্বার্থভাবে নিজেকে নিয়োজিত করার এই অভিযান কর্মসূচী সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিনি বলেন, যক্ষ্মা রোগীদের নিজেদের আলাদা ভাবার কোন অবকাশ নেই। বর্তমান রাজ্য সরকার তাদের পাশে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ডাঃ রাধা দেব্বর্মা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ সুভাশিষ দেব্বৰ্মা, মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক ডাঃ দেবাশিষ দাস প্রমুখ।
