পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাকক্ষে সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যা পাপিয়া দাস নন্দী। সভায় কমিটির অন্যানা সদস্য-সদস্যাগণ সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক জানান, সম্প্রতি রাঙ্গুটিয়া জেবি স্কুলকে উচ্চবিদ্যালয়ে এবং পটুনগর হাইস্কুলকে উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে পশ্চিম জেলায় ৪৮৭১টি বাইসাইকেল ছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এছাড়া প্রাক প্রাথমিকস্তর থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের নিপুন ত্রিপুরা প্রকল্পে বাংলা ও অংক বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিক জানান, সুস্থ ত্রিপুরা ও শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা প্রকল্পে আগামী মাসে ৬ মাস বয়স থেকে ২০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং ২.১ বছর থেকে ৪৯ বছরের ব্যক্তিদের রক্ত পরীক্ষা নির্ণয়ের মাধ্যমে রক্তাল্পতা রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হবে। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ফলিক অ্যাসিড টেবলেট বিতরণ করা হবে। সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রী মাত্র বন্দনা যোজনায় তপশিলী জাতি, তপশিলী জনজাতি সম্প্রদায় ভুক্ত মহিলা, দিব্যাঙ্গজন মহিলা, বিপিএল কার্ড ভুক্ত, ই-শ্রম কার্ড ভুক্ত, কিষাণ সম্মান নিধি সুবিধাভোগী, রেগাকার্ড ভুক্ত, আয়ুষ্মান কার্ড ভুক্ত এবং পরিবারের বাৎসরিক আয় ৮ লক্ষ টাকার নীচে অন্তর্ভুক্ত গর্ভধারিনী মহিলারা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের আধিকারিক জানান, পশ্চিম জেলায় ১০টি ওপেন জিম খোলা হয়েছে এবং রাণীরবাজার বিদ্যামন্দির, নবগ্রাম উচ্চতর বিদ্যালয়, এডি নগর উচ্চতর বিদ্যালয় ও বি আর আম্বেদকর উচ্চতর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কোচিং সেন্টার থাকবে। এছাড়া আগরতলা পুর নিগম এলাকায় ৪৯টি ওয়ার্ডে নেশামুক্ত ত্রিপুরার উপর সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
