অল ত্রিপুরা চেস এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে ত্রিপুরা সুপার ডিভিশন চেস লিগ অনুষ্ঠিত করতে চলেছে। আগামী ৩১শে জানুয়ারী এবং ১লা ফেব্রুয়ারী ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। দাবাকে জনপ্রিয় করে তুলতে এই লীগের আয়োজন করতে চলেছে অল ত্রিপুরা চেস অ্যাসোসিয়েশন। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন অল ত্রিপুরা চেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অভিজিৎ মল্লিক। তাছাড়া এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,অল ত্রিপুরা চেস অ্যাসোসিয়েশনের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট প্রশান্ত কুন্ডু, শহর দক্ষিণাঞ্চল ক্লাব কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমল দেব সহ অন্যান্যরা। অভিজিৎ বাবু বলেন রাজ্যে দাবাকে জনপ্রিয় করতে আর্থিক পুরস্কার এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এই টুর্নামেন্টে। প্রথম পুরস্কার থাকবে ২০০০০, দ্বিতীয় পুরস্কার থাকবে ১৫০০০ এবং তৃতীয় পুরস্কার থাকবে ১০০০০ টাকা। বোর্ড পুরষ্কার: শীর্ষ বোর্ড পুরষ্কার বিজয়ীর জন্য প্রতিটি ১ম, ২য়, ৩য় প্রত্যেককে ট্রফি প্রদান করা হবে। “ত্রিপুরা সুপার ডিভিশন চেস লিগ ১.০” এর শীর্ষ ১০ টি দল “ত্রিপুরা প্রিমিয়ার ডিভিশন চেস লিগ ১.০” খেলবে। যদি কোন দল “ত্রিপুরা প্রিমিয়ার ডিভিশন চেস লিগ ২.০” তে অংশগ্রহণ করতে না চায়, তাহলে তৃতীয় টিমকে প্রিমিয়ার লিগ ২.০ খেলার জন্য বিবেচনা করা হবে। “ত্রিপুরা প্রিমিয়ার ডিভিশন চেস লিগ ১.০” এর শীর্ষ ৮ টি দল “ত্রিপুরা প্রিমিয়ার ডিভিশন চেস লিগ ২.০” তে থাকবে কিন্তু “ত্রিপুরা প্রিমিয়ার ডিভিশন চেস লিগ ১.০” এর সবচেয়ে কম স্কোর প্রাপ্ত ২ টি দল “ত্রিপুরা সুপার ডিভিশন চেস লিগ ২.০” তে অবনমিত হবে। “ত্রিপুরা সুপার ডিভিশন চেস লিগ ২.০” এর শীর্ষ ২ টি দল “ত্রিপুরা প্রিমিয়ার ডিভিশন চেস লিগ ২.০” এর শীর্ষ ৬ টি দলের সাথে “ত্রিপুরা সুপার ডিভিশন চেস লিগ ২.০” এ যোগ দেবে। এই প্রক্রিয়া অনুসারে অবনমন এবং উন্নয়ন চলবে। যতগুলো খুশি দল অংশগ্রহণ করতে পারবে এই প্রতিযোগিতায়। প্রতিজনের চারজন করে খেলোয়াড় থাকবে। কমপক্ষে ২ জন খেলোয়াড় ত্রিপুরার হতে হবে। ২ জন খেলোয়াড় ত্রিপুরার বাইরে থেকে আসতে পারবেন।যারা অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক তারা ইচ্ছা করলে অনলাইনের পাশাপাশি অল ত্রিপুরা চেস অ্যাসোসিয়েশনের অফিস কক্ষে গিয়ে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবে।সুপার ডিভিশন দলের প্রবেশ ফি রয়েছে ২০০০ টাকা। প্রিমিয়ার ডিভিশন দলের প্রবেশ ফি: ১০০০০টাকা।

রবিবার টাস্কর বিএসএফ গলফ কোর্স, সালবাগানে ভারত গল্ফ মহোৎসব GFI ট্যুর 2025 ত্রিপুরা ওপেন গলফ টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা করার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। ত্রিপুরা গল্ফ অ্যাসোসিয়েশন এবং টাস্কার বিএসএফ গল্ফ ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয় এই প্রতিযোগিতা। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রিয়া মন্ত্রী টিংকু রায় আইজি বিএসএফ অলক চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা।প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ভারত গলফ মহোৎসব ১৭ই জানুয়ারি তথা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে রায়পুর থেকে শুরু হয়েছিল যা ১২ই জানুয়ারি আমেদাবাদে শেষ হবে । এই ট্যুরের মূল উদ্দেশ্য হলো যোগ ব্যায়ামের উপর জোর দেওয়া, মোটাপা দূর করে সুস্থ থাকা, পরিবেশ রক্ষা করা পাশাপাশি মেক ইন ইন্ডিয়া স্লোগান কে সার্থক করা। এই সামনে রেখে ইতিমধ্যে এক লাখ বৃক্ষরোপন করা হয়েছে শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করা হবে।

সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতির ২১ তম রাজ্য সম্মেলনকে সামনে রেখে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন কর্মসূচি। তারই অঙ্গ হিসেবে রবিবার সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতি সদর মহাকুমা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত হয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। গান্ধীঘাট সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতির অফিস গৃহে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়।

ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের জয়নগর মেলারমাঠ সপ্তম অঞ্চল সম্মেলন উপলক্ষে রবিবার ছাত্র যুব ভবনে আয়োজন করে এক রক্তদান শিবিরের। এই রক্তদান শিবিরে রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী সহ ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব সহ অন্যান্যরা।

সেপ্টেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত হারিয়ে যাওয়া বা চুরি যাওয়া ২৭ টি মোবাইল যানিয়ে থানায় মামলা করা হয়েছিল পশ্চিম থানার পুলিশ উদ্ধার করে রবিবার তাদের মালিকের হাতে তুলে দেয়। পশ্চিম জেলার এসপি নমিত পাঠক এদিন মোবাইলগুলি হ্যান্ড ওভার করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন এসপি নমিত পাঠক বলেন, দিন দিন সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে এপিকে ফাইল গুলি ডাউনলোড না করার পরামর্শ দেন তিনি। যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সকল ডাটা থেকে শুরু করে টাকাও হাতিয়ে নিচ্ছে দুষ্টচক্র। পাশাপাশি এই দিন তিনি মোবাইল হারিয়ে গেলে সেন্ট্রাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (CEIR) পোর্টালে (ceir.gov.in) গিয়ে IMEI নম্বর ব্লক ও ফোন ট্র‍্যাক করার জন্য আবেদন করতে বলেন, যা হারানো ফোন খুঁজে পেতে সাহায্য করে। প্রসঙ্গত আজকের এই 27 টি মোবাইলের ভেতর ২২টি মোবাইলই সি ই আই আর পোর্টালের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়।

রবিবার প্রদেশ কার্যালয়ে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য , মূখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা এবং আসাম ও ত্রিপুরা প্রদেশের সংগঠন মহামন্ত্রী রবীন্দ্র রাজুর উপস্থিতিতে সাংগঠনিক বৈঠকে অনুষ্টিত হয়। উক্ত বৈঠকে আগামীদিনের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে রূপরেখা নির্ধারণ হয়।

ত্রিপুরা প্রদেশ অসংগঠিত শ্রমিক কংগ্রেসের উদ্যোগে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ৯ দফা দাবি সনদ শ্রম দপ্তরের অধিকর্তার হাতে তুলে দেয়। তাদের প্রধান দাবি হলো নতুন চারটি স্বার্থবিরোধী শ্রম কোড বাতিল করতে হবে। তারা দাবি তুলে মজুরি সংক্রান্ত কোড, ২০১৯; শিল্প সম্পর্ক কোড, ২০২০; সামাজিক নিরাপত্তা কোড, ২০২০; এবং পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশ সংক্রান্ত কোড ২০২০ এই চারটি নতুন শ্রমকোর্ট সর্বতোভাবে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে এক গভীর চক্রান্ত এবং প্রতিটাই কর্পোরেট কেন্দ্রিক। এসবের কারণে শ্রমিক ও কর্মচারীদের কর্ম ক্ষেত্রে অধিকার বিলুপ্তির পথে চলে যাবে। দীর্ঘ বহু দশকের লড়াই, সংগ্রাম এবং দৈনিক নিষ্ঠার ফলে প্রাপ্ত যে অধিকারবোধ, তা ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। উপরোক্ত কোডগুলো চাকরি ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার দাবি সহ নানা প্রতিকূলতা সামনে এলে দাঁড় করিয়েছে যা কার্যত শ্রমিক ও কর্মচারীদের আত্মসম্মানকে ক্ষুন্ন করে। রাজ্যের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জীবন জীবিকার স্বার্থে প্রত্যেকটি কোড অত্যন্ত অমানবিক ফলে অবিলম্বে এই শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী শ্রম কোড বাতিল করতে হবে না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে অসংগঠিত শ্রমিক কংগ্রেস বলে জানান তারা।

নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে তৈরি বীমা সখী যোজনা – ভারতজুড়ে উৎসাহের সাথে গৃহীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে হরিয়ানার পানিপতে এই যোজনার সূচনা করেছিলেন। যোজনাটি চালু হওয়ার এক মাসের মধ্যে, এলআইসি ৫২,৫১১টি নিবন্ধন পেয়েছে যার মধ্যে ২৭,৬৯৫ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক যোজনা গ্রাহকদের স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখবে। সে সকল যোজনা গুলির লাভ নিতে জনগণকে সচেতন করতে মঙ্গলবার এলআইসির কর্মীদের উদ্যোগে আগরতলা শহরে এক সচেতনতা শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।