রাজ্যের স্কুলগুলিতে কম্পিউটার শিক্ষার বেহাল দশা সরব হলেন শিক্ষকরাই !

    আগরতলা, শুক্রবার: রাজ্যের স্কুলগুলিতে কম্পিউটার শিক্ষার বেহাল দশা নিয়ে সরব হল অল ত্রিপুরা স্কুল কম্পিউটার শিক্ষক সংঘ। শুক্রবার আগরতলা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে একাধিক দাবি তুলে ধরেন […]

আগরতলায় ঐতিহ্যবাহী বাসন্তী পূজায় মহাষ্টমী উদযাপন, ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়

  আগরতলা, বৃহস্পতিবার: চৈত্র মাসের বাসন্তী পূজা উপলক্ষে আগরতলার ঐতিহ্যবাহী দুর্গা বাড়িতে আজ মহাষ্টমী তিথি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হলো। মানিক্য রাজবংশের আমল থেকে চলে আসা প্রায় ১৫০ বছরেরও বেশি পুরোনো […]

অষ্টমী স্নানে ভক্তদের ঢল, আগরতলায় ধর্মীয় উৎসাহে পুণ্যস্নান পালন

  আগরতলা, বৃহস্পতিবার: আজ চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের মহা অষ্টমী তিথি উপলক্ষে আগরতলা শহরে ধর্মীয় আবহে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী অষ্টমী স্নান। শ্রী শ্রী ত্রিনাথ আশ্রম পূজা কমিটির উদ্যোগে রামঠাকুর রোড সংলগ্ন […]

আগরতলায় চৈত্র হাট কি এবার শিশু উদ্যানে?

আগরতলা : প্রতিবছরের মতো এবারও পহেলা এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা  চৈত্র হাট। সাধারণত ১ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত শহরের শকুন্তলা রোড এলাকায় এই হাট বসে। তবে এবছর সেই […]

সাধারণত দোল পূর্ণিমার ১২ দিন পর চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে এই স্নান হয় । মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে শতভিষা নক্ষত্র যোগ হলে এবং শনিবারে তিথি পড়লে তাকে ‘মহা বারুণী’ বলা হয় । বারুনী স্নান বা বারুণী উৎসব একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু স্নান উৎসব, যা চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে শতভিষা নক্ষত্রযোগে পালিত হয় । এই পবিত্র স্নানের মাধ্যমে পাপ মুক্তি ও আধ্যাত্মিক শুদ্ধি কামনা করা হয়, যা গঙ্গাস্নানের সমতুল্য পুণ্যফল প্রদান করে। মঙ্গলবার মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথি। আজকেই তিথি অনুযায়ী বারুনী স্নান। সকাল থেকেই ভক্তরা টাউন প্রতাপগড়ের হাওড় নদীতে পুণ্য স্নানে অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি এই দিন অনেককে দেখা যায় তাদের পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্যে পিন্ডদান করতে।

ত্রিপুরা মহিলা কমিশন অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন লিমিটেড এর সহযোগিতায় মঙ্গলবার সুকান্ত একাডেমিতে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১২০ জন মহিলাকে স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে সেলাই মেশিন প্রদান করে। মূলত নারীর ক্ষমতায়ন এবং জীবিকার উন্নয়ন। নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীলতায় সহায়তা করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয় বলে জানান মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন ঝর্ণা দেববর্মা। আজকের এই অনুষ্ঠানের প্রদীপ জ্বালিয়ে আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝর্ণা দেববর্মা ।তাছাড়া এ দিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,ওএনজিসি ত্রিপুরা অ্যাসেটের ফার্স্ট লেডি এবং ওএনজিসি অফিসার্স মহিলা সমিতির সভাপতি জাসবিন্দর জানজুয়ার।ত্রিপুরা মহিলা কমিশনের সদস্য সচিব মাধব পাল সহ অন্যান্যরা। মূলত প্রধানমন্ত্রীর মহিলাদের আত্মনির্ভর করার যে লক্ষ্য তাকে সামনে রেখে রাজ্যের মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ ত্রিপুরা মহিলা কমিশন আগেও গ্রহণ করেছে পরবর্তীতে গ্রহণ করবে বলেও জানান মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন ঝরনা দেববর্মা।

নতুন কোন কর নেই, এডিসির জন্য অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

  আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ বলেছেন রাজ্যের বাজেট গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫.৫২% বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি বর্তমান সরকার মোট ৪১% ডিএ এবং ডিআর প্রদান করেছে এবং […]

বৃহস্পতিবার আগরতলার সুকান্ত একাডেমিতে ডিস্ট্রিক্ট ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অফিসার ওয়েস্ট ত্রিপুরা ডিস্ট্রিক্ট এর উদ্যোগে 2025-26 সালের জন্য “ক্লিন হোস্টেল গ্রিন হোস্টেল” অভিযানের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা স্তরের পুরস্কার প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল। তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা কল্যাণ আধিকারিক উত্তম কুমার ভৌমিক সহ অন্যান্যরা। আজকে এই অনুষ্ঠানে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার ১৬টি হোস্টেলের মধ্যে তিনটি বালক এবং তিনটি বালিকা হোস্টেলকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রসঙ্গত হোস্টেলগুলিকে সবুজায়ন এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ভিত্তিতেই কুড়িটি বিষয়ের উপর মূল্যায়ন করে নির্বাচিত করা হয়।

 

রাজ্যের প্রতিটি প্রাইভেট স্কুলই চলছে মর্জি মাফিক। প্রতিবছরই ফ্রি বৃদ্ধি করে চলেছে তারা। ফলে ইচ্ছে থাকলেও সে সকল স্কুলে নিজেদের সন্তানদের পড়াতে পারছেন না অনেক অভিভাবকই। ফলে ভরসা সেই ঐতিহ্যবাহী শিশু বিহার স্কুল। প্রতিবছরই শিশু বিহার স্কুলে নিজেদের সন্তানকে ভর্তি করানোর জন্য অভিভাবকরা অধীর আগ্রহে বসে থাকে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ভর্তির ফর্ম দেওয়ার কাজ। ভোর রাত থেকেই অভিভাবকরা দাঁড়িয়েছে লাইনে। ফর্ম দেওয়া হবে আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত। ১৬ থেকে ১৯ পর্যন্ত চলবে ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ। পরবর্তীতে স্কুটিনির পর ছাত্র-ছাত্রীদের একটি লিস্ট স্কুলে লাগানো হবে। এবং এই লিস্ট অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে লটারি। স্বচ্ছতার সঙ্গেই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানান স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুজিত চক্রবর্তী। আগে যা ছিল নার্সারি ওয়ান এবং নার্সারি টু। বর্তমানে তাকে বলা হয় বালবাটিকা ওয়ান এবং বালবাটিকা টু।বালবাটিকা ওয়ানে সিট সংখ্যা রয়েছে ১২০ টি।বালবাটিকা টুতে সিট রয়েছে আটটি। ক্লাস ওয়ানের রয়েছে ৪৮ টি। বাল বাটিকা ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত ফাঁকা সিট অনুযায়ী এই ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।